উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা Kim Jong Un দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার সামরিক বাহিনী চাইলে দক্ষিণের প্রতিবেশীকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি শর্তসাপেক্ষ বার্তাও দিয়েছেন। কিমের ভাষ্য, যদি United States পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘শত্রুতামূলক নীতি’ পরিত্যাগ করে এবং উত্তর কোরিয়ার সাংবিধানিক অবস্থানকে সম্মান জানায়, তাহলে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না।
বুধবার ক্ষমতাসীন Workers' Party of Korea–এর (ডব্লিউপিকে) বৈঠক শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পরদিন রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা Korean Central News Agency (কেসিএনএ) জানায়, কিম তার পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন সামরিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়নের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বিশেষভাবে পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উন্নয়ন, দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করে ব্যবহারের উপযোগী আর্টিলারি ও স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রসহ কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণের ওপর জোর দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা আরও বাড়ার ইঙ্গিত বহন করে। একদিকে কঠোর সামরিক ভাষ্য, অন্যদিকে শর্তসাপেক্ষ কূটনৈতিক বার্তা—দুই কৌশল একসঙ্গে সামনে এনে উত্তর কোরিয়া আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা Kim Jong Un দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার সামরিক বাহিনী চাইলে দক্ষিণের প্রতিবেশীকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি শর্তসাপেক্ষ বার্তাও দিয়েছেন। কিমের ভাষ্য, যদি United States পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘শত্রুতামূলক নীতি’ পরিত্যাগ করে এবং উত্তর কোরিয়ার সাংবিধানিক অবস্থানকে সম্মান জানায়, তাহলে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না।
বুধবার ক্ষমতাসীন Workers' Party of Korea–এর (ডব্লিউপিকে) বৈঠক শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পরদিন রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা Korean Central News Agency (কেসিএনএ) জানায়, কিম তার পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন সামরিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়নের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বিশেষভাবে পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উন্নয়ন, দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করে ব্যবহারের উপযোগী আর্টিলারি ও স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রসহ কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণের ওপর জোর দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা আরও বাড়ার ইঙ্গিত বহন করে। একদিকে কঠোর সামরিক ভাষ্য, অন্যদিকে শর্তসাপেক্ষ কূটনৈতিক বার্তা—দুই কৌশল একসঙ্গে সামনে এনে উত্তর কোরিয়া আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন