ইসলামাবাদ, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানের লক্ষ্য ছিল ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী ফিতনা আল-খারিজ এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তানকে নির্মূল করা।
২৪ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়ায় চারটি পৃথক সংঘর্ষে ফিতনা আল-খারিজের ২৬ সন্ত্রাসী নিহত হন। একই সময়ে বেলুচিস্তানের সাম্বাজায় অভিযানে ফিতনা আল-হিন্দুস্তানের ৮ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনকে আফগান নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, লাক্কি মারওয়াত জেলাতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। তীব্র গোলাগুলির পর সেখানে তিনজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এছাড়া বান্নু জেলার নর্মি খেল এলাকায় দুটি পৃথক অভিযানে ১০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলি জেলায় আরও ১২ জন নিহত হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযান পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্য ও গোয়েন্দা কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে, যা দেশজুড়ে সন্ত্রাস দমন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে সহায়ক হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামাবাদ, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানের লক্ষ্য ছিল ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী ফিতনা আল-খারিজ এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তানকে নির্মূল করা।
২৪ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়ায় চারটি পৃথক সংঘর্ষে ফিতনা আল-খারিজের ২৬ সন্ত্রাসী নিহত হন। একই সময়ে বেলুচিস্তানের সাম্বাজায় অভিযানে ফিতনা আল-হিন্দুস্তানের ৮ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনকে আফগান নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, লাক্কি মারওয়াত জেলাতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। তীব্র গোলাগুলির পর সেখানে তিনজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এছাড়া বান্নু জেলার নর্মি খেল এলাকায় দুটি পৃথক অভিযানে ১০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলি জেলায় আরও ১২ জন নিহত হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযান পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্য ও গোয়েন্দা কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে, যা দেশজুড়ে সন্ত্রাস দমন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন