ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক এবং দেশের সঙ্গে সই করা বাণিজ্যচুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত নয়। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়গুলো বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এর জবাবে ট্রাম্প নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সরকার এখনও লিখিত কোনো নথি পাননি; শুধুমাত্র মিডিয়ার মাধ্যমে ঘোষণার খবরে বিষয়টি জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, ১২২টি আইনি ব্যাখ্যা ইউএস কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য ১৫০ দিনের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে, যা এখনও প্রক্রিয়াধীন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তবে তা এখনো সমালোচনামূলক পর্যালোচনায় রয়েছে। চুক্তির পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় দিক যাচাই করা হচ্ছে এবং পরবর্তী করণীয় সেক্ষেত্রে নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, চুক্তি সংক্রান্ত কিছু বিষয় নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্টের অন্তর্গত এবং এটি একটি সেনসিটিভ ইস্যু।
শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন সেক্টরের সমস্যার বিষয়গুলোও আলোচিত হয়েছে। এছাড়া বর্তমান বাজার মূল্য পরিস্থিতি নিয়েও মন্ত্রী জানান, যেসব পণ্যের আমদানি তদারকি করা হয়, সেগুলোর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। কিছু সবজি জাতীয় পণ্যের দাম সাময়িকভাবে বেড়েছে, কারণ রমজানের শুরুতে মানুষ একসঙ্গে একমাসের বাজার করায় এবং বিক্রেতারাও সুযোগ গ্রহণ করেছে। তবে বর্তমানে দাম আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক এবং দেশের সঙ্গে সই করা বাণিজ্যচুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত নয়। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়গুলো বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এর জবাবে ট্রাম্প নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সরকার এখনও লিখিত কোনো নথি পাননি; শুধুমাত্র মিডিয়ার মাধ্যমে ঘোষণার খবরে বিষয়টি জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, ১২২টি আইনি ব্যাখ্যা ইউএস কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য ১৫০ দিনের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে, যা এখনও প্রক্রিয়াধীন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তবে তা এখনো সমালোচনামূলক পর্যালোচনায় রয়েছে। চুক্তির পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় দিক যাচাই করা হচ্ছে এবং পরবর্তী করণীয় সেক্ষেত্রে নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, চুক্তি সংক্রান্ত কিছু বিষয় নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্টের অন্তর্গত এবং এটি একটি সেনসিটিভ ইস্যু।
শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন সেক্টরের সমস্যার বিষয়গুলোও আলোচিত হয়েছে। এছাড়া বর্তমান বাজার মূল্য পরিস্থিতি নিয়েও মন্ত্রী জানান, যেসব পণ্যের আমদানি তদারকি করা হয়, সেগুলোর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। কিছু সবজি জাতীয় পণ্যের দাম সাময়িকভাবে বেড়েছে, কারণ রমজানের শুরুতে মানুষ একসঙ্গে একমাসের বাজার করায় এবং বিক্রেতারাও সুযোগ গ্রহণ করেছে। তবে বর্তমানে দাম আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন