যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়িয়ে ক্রিকেটার হিসেবে খেলার পথে ফিরে আসতে হলে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজিকে তাদের বিরুদ্ধে থাকা আইনি জটিলতা মোকাবেলা করতে হবে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উকিলের মাধ্যমে আইনি বিষয়গুলো সমাধান করলে তারা নিরাপরাধ প্রমাণ করতে পারলে দেশের মাঠে খেলতে পারবেন। আমি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তাদের স্বাগত জানাব এবং এ বিষয়ে শতভাগ নমনীয় থাকব।”
সাকিবের নামে পোশাক শ্রমিক হত্যা মামলা, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি ও চেক প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। মাশরাফির নামেও কয়েকটি মামলা দায়ের রয়েছে। এসব আইনি জটিলতা সামলাতে হলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেখুন, আমি একজন খেলোয়াড়। সাকিব ও মাশরাফি বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাদের প্রতি দেশের মানুষের ভালোবাসা এবং খেলার প্রতি আকর্ষণ দেখলে একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আমি তাদের পুনরায় মাঠে দেখতে চাই।”
বাংলাদেশের জার্সিতে দেড় বছর দূরে থাকায় সাকিব ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেননি। মাশরাফি সর্বশেষ ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেললেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দুজনেই দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন।
এ বিষয়ে গতকাল আসিফ আকবর জানিয়েছেন, “ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে ফাইল যাওয়ার পর মামলার সত্যতা যাচাই-বাছাই করা হবে। ইতিবাচক প্রক্রিয়া চলছে। আশা করা যাচ্ছে, শীঘ্রই সাকিব দেশের ক্রিকেটে ফিরে আসবেন।”
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আশা প্রকাশ করেছেন, সাকিব-মাশরাফির মাঠে ফেরা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং তা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়িয়ে ক্রিকেটার হিসেবে খেলার পথে ফিরে আসতে হলে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজিকে তাদের বিরুদ্ধে থাকা আইনি জটিলতা মোকাবেলা করতে হবে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উকিলের মাধ্যমে আইনি বিষয়গুলো সমাধান করলে তারা নিরাপরাধ প্রমাণ করতে পারলে দেশের মাঠে খেলতে পারবেন। আমি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তাদের স্বাগত জানাব এবং এ বিষয়ে শতভাগ নমনীয় থাকব।”
সাকিবের নামে পোশাক শ্রমিক হত্যা মামলা, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি ও চেক প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। মাশরাফির নামেও কয়েকটি মামলা দায়ের রয়েছে। এসব আইনি জটিলতা সামলাতে হলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেখুন, আমি একজন খেলোয়াড়। সাকিব ও মাশরাফি বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাদের প্রতি দেশের মানুষের ভালোবাসা এবং খেলার প্রতি আকর্ষণ দেখলে একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আমি তাদের পুনরায় মাঠে দেখতে চাই।”
বাংলাদেশের জার্সিতে দেড় বছর দূরে থাকায় সাকিব ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেননি। মাশরাফি সর্বশেষ ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেললেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দুজনেই দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন।
এ বিষয়ে গতকাল আসিফ আকবর জানিয়েছেন, “ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে ফাইল যাওয়ার পর মামলার সত্যতা যাচাই-বাছাই করা হবে। ইতিবাচক প্রক্রিয়া চলছে। আশা করা যাচ্ছে, শীঘ্রই সাকিব দেশের ক্রিকেটে ফিরে আসবেন।”
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আশা প্রকাশ করেছেন, সাকিব-মাশরাফির মাঠে ফেরা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং তা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

আপনার মতামত লিখুন