বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত সত্য এখনো জাতির সামনে খোলাসা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিটিগুলো এমনভাবে কাজ করেছে যাতে মূল অপরাধীদের আড়াল করা যায়। তৎকালীন ক্ষমতাসীনরা এই ঘটনায় জড়িত থাকলেও রিপোর্টে তাদের নাম আসেনি, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিরোধী দলকে দোষারোপ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে আংশিক সত্য প্রকাশিত হয়েছে। আমরা চাই এই ঘটনার কোনো শাখা-প্রশাখা নয়, বরং যারা মূল পরিকল্পনাকারী এবং সরাসরি জড়িত ছিল, তাদের বিচার করা হোক। আমাদের বিশ্বাস, এই সরকার এই বিচার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবে।”
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার স্বার্থেই এই কলঙ্কজনক অধ্যায়ের বিচার হওয়া জরুরি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত সত্য এখনো জাতির সামনে খোলাসা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিটিগুলো এমনভাবে কাজ করেছে যাতে মূল অপরাধীদের আড়াল করা যায়। তৎকালীন ক্ষমতাসীনরা এই ঘটনায় জড়িত থাকলেও রিপোর্টে তাদের নাম আসেনি, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিরোধী দলকে দোষারোপ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে আংশিক সত্য প্রকাশিত হয়েছে। আমরা চাই এই ঘটনার কোনো শাখা-প্রশাখা নয়, বরং যারা মূল পরিকল্পনাকারী এবং সরাসরি জড়িত ছিল, তাদের বিচার করা হোক। আমাদের বিশ্বাস, এই সরকার এই বিচার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবে।”
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার স্বার্থেই এই কলঙ্কজনক অধ্যায়ের বিচার হওয়া জরুরি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন