ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন বিমানবাহিনীর এফ-১৫ এবং এফ-৩৫ গোত্রের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে এসে পৌঁছেছে। এই মোতায়েনকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মূলত গাজা ও লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘাত এবং ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নিলো ওয়াশিংটন।
পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, এই যুদ্ধবিমানগুলো মোতায়েনের মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং যেকোনো ধরনের বড় আক্রমণ প্রতিহত করা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের রণতরি ও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিল।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এই সহায়তার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।” অন্যদিকে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘উস্কানিমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং এর ফলে অঞ্চলে যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুদ্ধবিমানের এই বিশাল বহর ইসরায়েলে পৌঁছানো কেবল একটি সামরিক মহড়া নয়, বরং এটি ইরানের প্রতি একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। লোহিত সাগরে হুতিদের হামলা এবং হিজবুল্লাহর সাথে ইসরায়েলের অব্যাহত সংঘাতের মাঝে এই মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন বিমানবাহিনীর এফ-১৫ এবং এফ-৩৫ গোত্রের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে এসে পৌঁছেছে। এই মোতায়েনকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মূলত গাজা ও লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘাত এবং ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নিলো ওয়াশিংটন।
পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, এই যুদ্ধবিমানগুলো মোতায়েনের মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং যেকোনো ধরনের বড় আক্রমণ প্রতিহত করা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের রণতরি ও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিল।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এই সহায়তার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।” অন্যদিকে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘উস্কানিমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং এর ফলে অঞ্চলে যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুদ্ধবিমানের এই বিশাল বহর ইসরায়েলে পৌঁছানো কেবল একটি সামরিক মহড়া নয়, বরং এটি ইরানের প্রতি একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। লোহিত সাগরে হুতিদের হামলা এবং হিজবুল্লাহর সাথে ইসরায়েলের অব্যাহত সংঘাতের মাঝে এই মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন