গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অসুস্থতার বিষয়টি তাকে জানান। খবরটি শোনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোনে সরাসরি ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার কুশল বিনিময় করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের আমিরের অসুস্থতার খবর পেয়ে গভীর আন্তরিকতার সঙ্গে খোঁজ নিয়েছেন। তিনি আমার টেলিফোনেই আমিরে জামায়াতের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং পরস্পরের মধ্যে সালাম ও কুশল বিনিময় হয়।”
সাক্ষাৎকালে জামায়াত আমিরের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পবিত্র রমজান উপলক্ষে সপরিবারে ইফতারের আমন্ত্রণ জানানো হয়। ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে তার স্ত্রী ও কন্যাসহ ইফতারে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় একটি ইফতার মাহফিলে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ডা. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তবে বর্তমান তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং আজ দুপুরে তিনি বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার এই ফোনালাপ এবং ইফতারের আমন্ত্রণ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সৌজন্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অসুস্থতার বিষয়টি তাকে জানান। খবরটি শোনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোনে সরাসরি ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার কুশল বিনিময় করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের আমিরের অসুস্থতার খবর পেয়ে গভীর আন্তরিকতার সঙ্গে খোঁজ নিয়েছেন। তিনি আমার টেলিফোনেই আমিরে জামায়াতের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং পরস্পরের মধ্যে সালাম ও কুশল বিনিময় হয়।”
সাক্ষাৎকালে জামায়াত আমিরের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পবিত্র রমজান উপলক্ষে সপরিবারে ইফতারের আমন্ত্রণ জানানো হয়। ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে তার স্ত্রী ও কন্যাসহ ইফতারে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় একটি ইফতার মাহফিলে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ডা. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তবে বর্তমান তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং আজ দুপুরে তিনি বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার এই ফোনালাপ এবং ইফতারের আমন্ত্রণ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সৌজন্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন