ভারতের কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে “বাংলাদেশি নাগরিক” সন্দেহে ১৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ; তাদের মধ্যে শিশু ও নারীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ রয়েছেন এবং কোনো বৈধ নথিপত্রও তারা দিতে পারেনি।
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে গতকাল পুলিশ ১৮ জনকে আটক করেছে যারা বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিশু ও মহিলা রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহজনক গতিবিধি ও তাদের কাছে কোনো বৈধ নাগরিকত্ব বা পরিচয় সম্পর্কিত নথি না থাকায় এই ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশ আগে বাড়তি দিন ধরে বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ আটককৃতদের বেঙ্গালুরু থেকে পশ্চিমবঙ্গে পরিবহন করেছে। তাঁরা মঙ্গলবার বিকেলে দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে চাপিয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি রেল স্টেশনে আনা হয়েছে। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে ও কী বৈধ পদক্ষেপ নেওয়া হবে — তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের কোনো কর্মকর্তা এই ঘটনায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পুলিশ বর্তমানে তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব ও Aufenthalts قانونی কাগজপত্র যাচাই করছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় আইন প্রক্রিয়া ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্ভবত এই ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে দেখা যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে “বাংলাদেশি নাগরিক” সন্দেহে ১৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ; তাদের মধ্যে শিশু ও নারীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ রয়েছেন এবং কোনো বৈধ নথিপত্রও তারা দিতে পারেনি।
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে গতকাল পুলিশ ১৮ জনকে আটক করেছে যারা বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিশু ও মহিলা রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহজনক গতিবিধি ও তাদের কাছে কোনো বৈধ নাগরিকত্ব বা পরিচয় সম্পর্কিত নথি না থাকায় এই ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশ আগে বাড়তি দিন ধরে বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ আটককৃতদের বেঙ্গালুরু থেকে পশ্চিমবঙ্গে পরিবহন করেছে। তাঁরা মঙ্গলবার বিকেলে দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে চাপিয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি রেল স্টেশনে আনা হয়েছে। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে ও কী বৈধ পদক্ষেপ নেওয়া হবে — তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের কোনো কর্মকর্তা এই ঘটনায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পুলিশ বর্তমানে তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব ও Aufenthalts قانونی কাগজপত্র যাচাই করছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় আইন প্রক্রিয়া ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্ভবত এই ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে দেখা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন