যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইসরায়েলে ১২টি স্টিলথ যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সম্ভাব্য হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রভাব সীমিত করা। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সরাসরি যুদ্ধের জন্য নয়, বরং এক প্রকার “deterrence” বা ভয়ের কৌশল, যাতে ইরান বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাতে না পারে।
ইসরায়েলে স্টিলথ ফাইটার মোতায়েনের খবরটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া গেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখার একটি কৌশল। একই সঙ্গে এটি একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে কাজ করছে যে, ইরানের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং যেকোনও আক্রমণ প্রতিহত করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্টিলথ যুদ্ধবিমান মূলত আধুনিক রাডার ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তৈরি। ১২টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হলে এটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে। তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, এটি সরাসরি বড় যুদ্ধের ইঙ্গিত নয়। বরং এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যাতে ইরান এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যীয় শক্তি কোনো বড় আক্রমণ চালাতে না পারে।
জিওপলিটিক্যাল বিশ্লেষকরা মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে এই ধরনের পদক্ষেপের কারণে উত্তেজনা কিছুটা বেড়ে যাবে, তবে বর্তমানে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র‑ইরান যুদ্ধের সম্ভাবনা খুব কম। তবে proxy war বা মধ্যস্বত্ববাধী সংঘাত—যেমন হিজবুল্লাহ, হামাস বা হুথি বিদ্রোহ—বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মোতায়েন যুদ্ধ শুরু করার চেয়ে যুদ্ধ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে কার্যকর। কিন্তু অতীতের ইতিহাস দেখিয়েছে, শক্তি প্রদর্শনের সময় ভুল হিসাব বা আপাতত নেভিগেশন সমস্যাই বড় সংঘাতের সূত্রপাত করতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইসরায়েলে ১২টি স্টিলথ যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সম্ভাব্য হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রভাব সীমিত করা। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সরাসরি যুদ্ধের জন্য নয়, বরং এক প্রকার “deterrence” বা ভয়ের কৌশল, যাতে ইরান বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাতে না পারে।
ইসরায়েলে স্টিলথ ফাইটার মোতায়েনের খবরটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া গেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখার একটি কৌশল। একই সঙ্গে এটি একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে কাজ করছে যে, ইরানের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং যেকোনও আক্রমণ প্রতিহত করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্টিলথ যুদ্ধবিমান মূলত আধুনিক রাডার ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তৈরি। ১২টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হলে এটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে। তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, এটি সরাসরি বড় যুদ্ধের ইঙ্গিত নয়। বরং এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যাতে ইরান এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যীয় শক্তি কোনো বড় আক্রমণ চালাতে না পারে।
জিওপলিটিক্যাল বিশ্লেষকরা মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে এই ধরনের পদক্ষেপের কারণে উত্তেজনা কিছুটা বেড়ে যাবে, তবে বর্তমানে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র‑ইরান যুদ্ধের সম্ভাবনা খুব কম। তবে proxy war বা মধ্যস্বত্ববাধী সংঘাত—যেমন হিজবুল্লাহ, হামাস বা হুথি বিদ্রোহ—বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মোতায়েন যুদ্ধ শুরু করার চেয়ে যুদ্ধ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে কার্যকর। কিন্তু অতীতের ইতিহাস দেখিয়েছে, শক্তি প্রদর্শনের সময় ভুল হিসাব বা আপাতত নেভিগেশন সমস্যাই বড় সংঘাতের সূত্রপাত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন