যুক্তরাষ্ট্রে নতুন স্বর্ণযুগের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনীতি, সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। তার নেতৃত্বে দেশটি আবার বিশ্ব রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান নিতে সক্ষম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অভিবাসন, অর্থনীতি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে কঠোর নীতি গ্রহণের মাধ্যমে আমেরিকান জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ট্রাম্প তার ভাষণে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি সব পক্ষকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি দাবি করেন, তার প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভাষণ শেষে কংগ্রেস সদস্যদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ডেমোক্র্যাট নেতারা ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তার দাবির অনেক ক্ষেত্রে মিল নেই। অন্যদিকে রিপাবলিকান নেতারা ভাষণকে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি শক্ত বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন স্বর্ণযুগের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনীতি, সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। তার নেতৃত্বে দেশটি আবার বিশ্ব রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান নিতে সক্ষম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অভিবাসন, অর্থনীতি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে কঠোর নীতি গ্রহণের মাধ্যমে আমেরিকান জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ট্রাম্প তার ভাষণে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি সব পক্ষকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি দাবি করেন, তার প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভাষণ শেষে কংগ্রেস সদস্যদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ডেমোক্র্যাট নেতারা ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তার দাবির অনেক ক্ষেত্রে মিল নেই। অন্যদিকে রিপাবলিকান নেতারা ভাষণকে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি শক্ত বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন