লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় সম্ভাব্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আলোচনা চলছে, তা যাচাই করে জানা গেছে- এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তবে পৌর প্রশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন মহলে কথাবার্তা চলছে বলে একাধিক স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আলোচনায় যাঁর নাম বেশি শোনা যাচ্ছে, তিনি হলেন রেজাউল করিম লিটন। তিনি বর্তমানে লক্ষ্মীপুর পৌর শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক সক্রিয়তা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভিজ্ঞতার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে। তবে এ তথ্যের পক্ষে এখনো কোনো লিখিত বা সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশ পায়নি।
জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে আইনগত কাঠামোর ভেতর থেকেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার আলোচনা স্বাভাবিক হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া কোনো নাম নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। ফলে রেজাউল করিম লিটনের নাম আলোচনায় থাকলেও বিষয়টি আপাতত সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা প্রকাশ হলে প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় সম্ভাব্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আলোচনা চলছে, তা যাচাই করে জানা গেছে- এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তবে পৌর প্রশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন মহলে কথাবার্তা চলছে বলে একাধিক স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আলোচনায় যাঁর নাম বেশি শোনা যাচ্ছে, তিনি হলেন রেজাউল করিম লিটন। তিনি বর্তমানে লক্ষ্মীপুর পৌর শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক সক্রিয়তা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভিজ্ঞতার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে। তবে এ তথ্যের পক্ষে এখনো কোনো লিখিত বা সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশ পায়নি।
জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে আইনগত কাঠামোর ভেতর থেকেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার আলোচনা স্বাভাবিক হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া কোনো নাম নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। ফলে রেজাউল করিম লিটনের নাম আলোচনায় থাকলেও বিষয়টি আপাতত সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা প্রকাশ হলে প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন