গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে শওকত হোসেন সরকারের নিয়োগ এবং তাঁর সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য ছড়িয়েছে, তার বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে জানা গেছে—সম্প্রতি তাঁকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে তিনি উন্নয়ন অঙ্গীকারের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে এ সাক্ষাতে রাষ্ট্রীয় পদধারী “প্রধানমন্ত্রী” হিসেবে নয়, বরং দলীয় নেতৃত্বের পর্যায়েই বৈঠকটি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট করেছেন।
মঙ্গলবার ঢাকায় সাক্ষাৎ শেষে তিনি রাজধানীর জিয়া উদ্যানে অবস্থিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কবরে শ্রদ্ধা জানান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শওকত হোসেন সরকার বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর গাজীপুর সিটিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করবেন এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে চলমান ও অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন।
প্রশাসক হিসেবে তাঁর অগ্রাধিকার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে মশা নিধনে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ, শিল্পাঞ্চলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে ঝুলে থাকা ইন্টারনেট ও বিদ্যুতের তার সুশৃঙ্খল ও দৃষ্টিনন্দনভাবে পুনর্বিন্যাস করা। তিনি আরও জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমের মধ্যেই এসব কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করে গাজীপুর সিটিকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ, প্রকল্প অনুমোদন এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে সব উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা কতটা সম্ভব হবে, তা নির্ভর করবে প্রশাসনিক সক্ষমতা ও আর্থিক সহায়তার ওপর। বিষয়টি নিয়ে সরকারি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও প্রকল্প তালিকা প্রকাশ হলে পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে শওকত হোসেন সরকারের নিয়োগ এবং তাঁর সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য ছড়িয়েছে, তার বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে জানা গেছে—সম্প্রতি তাঁকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে তিনি উন্নয়ন অঙ্গীকারের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে এ সাক্ষাতে রাষ্ট্রীয় পদধারী “প্রধানমন্ত্রী” হিসেবে নয়, বরং দলীয় নেতৃত্বের পর্যায়েই বৈঠকটি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট করেছেন।
মঙ্গলবার ঢাকায় সাক্ষাৎ শেষে তিনি রাজধানীর জিয়া উদ্যানে অবস্থিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কবরে শ্রদ্ধা জানান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শওকত হোসেন সরকার বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর গাজীপুর সিটিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করবেন এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে চলমান ও অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন।
প্রশাসক হিসেবে তাঁর অগ্রাধিকার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে মশা নিধনে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ, শিল্পাঞ্চলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে ঝুলে থাকা ইন্টারনেট ও বিদ্যুতের তার সুশৃঙ্খল ও দৃষ্টিনন্দনভাবে পুনর্বিন্যাস করা। তিনি আরও জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমের মধ্যেই এসব কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করে গাজীপুর সিটিকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ, প্রকল্প অনুমোদন এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে সব উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা কতটা সম্ভব হবে, তা নির্ভর করবে প্রশাসনিক সক্ষমতা ও আর্থিক সহায়তার ওপর। বিষয়টি নিয়ে সরকারি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও প্রকল্প তালিকা প্রকাশ হলে পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন