দেশে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারদার শহাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনিক সংস্থাকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে এখন সময় এসেছে সমন্বিত উদ্যোগের। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, মশক নিধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিটি কর্পোরেশনগুলোতে প্রশাসক থাকার কারণে মশা নিধন কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। পূর্বে প্রশাসনিক বাধার কারণে কিছু কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছিল।
বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: মশা নিবৃত্তি ও লার্ভা ধ্বংসে তৎপর কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য শিক্ষামূলক প্রচারণা, আক্রান্তদের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি সাধারণ মানুষকেও বাড়ি-বাড়ি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং প্রয়োজনমতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারদার শহাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনিক সংস্থাকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে এখন সময় এসেছে সমন্বিত উদ্যোগের। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, মশক নিধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিটি কর্পোরেশনগুলোতে প্রশাসক থাকার কারণে মশা নিধন কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। পূর্বে প্রশাসনিক বাধার কারণে কিছু কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছিল।
বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: মশা নিবৃত্তি ও লার্ভা ধ্বংসে তৎপর কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য শিক্ষামূলক প্রচারণা, আক্রান্তদের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি সাধারণ মানুষকেও বাড়ি-বাড়ি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং প্রয়োজনমতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন