আসন্ন ঈদুল ফিতরে নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন আলোচিত নির্মাতা রায়হান রাফী। সম্প্রতি প্রকাশিত পোস্টারের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন তাঁর নতুন সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’, যা কোনো প্রধান পুরুষ চরিত্র ছাড়া চার নারীকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে। এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ইতোমধ্যেই দর্শক মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
সিনেমার মূল চরিত্রে আছেন শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, মারিয়া শান্ত এবং স্নিগ্ধা চৌধুরী। পোস্টারে তাদের আভিজাত্য এবং চোখে-মুখে ফুটে থাকা রহস্য দর্শকদের নজর কাড়ছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে এই লুককে বলিউডের ‘হীরামান্ডি’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন।
রাফী জানান, সিনেমার গল্পটি ঢাকা শহরে নারীদের প্রাত্যহিক জীবনের সীমাবদ্ধতা, না বলা কষ্ট এবং অদৃশ্য লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি। তাঁর মতে, ঢাকা নারীদের জন্য এক ধরনের ‘প্রেশার কুকার’, যেখানে জমে থাকা নীরব আর্তনাদ সহ্য করতে না পেরে গল্পটি শুরু হয়। সাধারণত ঢালিউডের বাণিজ্যিক ধারার সিনেমায় নায়ক-নির্ভর গল্পের আধিক্য থাকে, কিন্তু রাফী এখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হেঁটে হাইপারলিঙ্ক গল্প উপস্থাপন করেছেন।
নির্মাতা নিজে জানান, ‘‘প্রেশার কুকার আমার হৃদয়ের খুব কাছের গল্প। আমি সবসময়ই চেয়েছি দর্শকদের নতুন কিছু দিতে নতুন স্বাদ, নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন ভাষা।’’
তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী কাজ ‘পরান’ দর্শককে যে সাহস দিয়েছে, সেই সাহস নিয়েই তিনি ভিন্ন ঘরানার গল্পে কাজ করছেন। দর্শকের সমর্থনই তাকে এই নতুন, সাহসী প্রোজেক্টের অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
‘প্রেশার কুকার’ ভিন্নধর্মী গল্প এবং নারীর কেন্দ্রীকরণ দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে নতুন দিক দেখাতে চাচ্ছে, যা দর্শকদের কাছে তাজা অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরা দেবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ঈদুল ফিতরে নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন আলোচিত নির্মাতা রায়হান রাফী। সম্প্রতি প্রকাশিত পোস্টারের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন তাঁর নতুন সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’, যা কোনো প্রধান পুরুষ চরিত্র ছাড়া চার নারীকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে। এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ইতোমধ্যেই দর্শক মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
সিনেমার মূল চরিত্রে আছেন শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, মারিয়া শান্ত এবং স্নিগ্ধা চৌধুরী। পোস্টারে তাদের আভিজাত্য এবং চোখে-মুখে ফুটে থাকা রহস্য দর্শকদের নজর কাড়ছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে এই লুককে বলিউডের ‘হীরামান্ডি’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন।
রাফী জানান, সিনেমার গল্পটি ঢাকা শহরে নারীদের প্রাত্যহিক জীবনের সীমাবদ্ধতা, না বলা কষ্ট এবং অদৃশ্য লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি। তাঁর মতে, ঢাকা নারীদের জন্য এক ধরনের ‘প্রেশার কুকার’, যেখানে জমে থাকা নীরব আর্তনাদ সহ্য করতে না পেরে গল্পটি শুরু হয়। সাধারণত ঢালিউডের বাণিজ্যিক ধারার সিনেমায় নায়ক-নির্ভর গল্পের আধিক্য থাকে, কিন্তু রাফী এখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হেঁটে হাইপারলিঙ্ক গল্প উপস্থাপন করেছেন।
নির্মাতা নিজে জানান, ‘‘প্রেশার কুকার আমার হৃদয়ের খুব কাছের গল্প। আমি সবসময়ই চেয়েছি দর্শকদের নতুন কিছু দিতে নতুন স্বাদ, নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন ভাষা।’’
তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী কাজ ‘পরান’ দর্শককে যে সাহস দিয়েছে, সেই সাহস নিয়েই তিনি ভিন্ন ঘরানার গল্পে কাজ করছেন। দর্শকের সমর্থনই তাকে এই নতুন, সাহসী প্রোজেক্টের অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
‘প্রেশার কুকার’ ভিন্নধর্মী গল্প এবং নারীর কেন্দ্রীকরণ দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে নতুন দিক দেখাতে চাচ্ছে, যা দর্শকদের কাছে তাজা অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরা দেবে।

আপনার মতামত লিখুন