জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তাকে বিগত কয়েক মাস ধরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। এর মধ্যে মামলার বাদী সাদিয়া রহমান মিথিলা নতুন করে তার বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
মিথিলার দাবি, হিরো আলম তার কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নিয়েছেন, কিন্তু তা এখনও ফেরত দেননি। তিনি বলেন, টাকা সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র ও প্রমাণপত্র তার কাছে রয়েছে এবং প্রয়োজনে আদালতে তা দাখিল করবেন। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা সংগ্রহ করতে তাকে নিজের একটি জমি বিক্রি করতে হয়েছে, এবং সেই লেনদেনের নথি তার কাছে সংরক্ষিত আছে।
হিরো আলমের বিরুদ্ধে মূল মামলা ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দায়ের করা হয়েছিল। ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তাকে নায়িকা বানানোর প্রলোভনে আকৃষ্ট করে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা হয়েছিল এবং পুলিশ প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। পরবর্তীতে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে পাঠায়।
এখন পর্যন্ত হিরো আলমের পক্ষ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নতুন আর্থিক অভিযোগটি মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে মামলাটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং আদালতের পরবর্তী শুনানির জন্য প্রস্তুত।
হিরো আলমের বিরুদ্ধে থাকা ধর্ষণ ও নির্যাতন মামলার পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। অভিযোগকারী বলেন, তিনি এই টাকা ফেরত চান এবং প্রমাণাদি আদালতে দাখিল করার কথা জানিয়েছেন। মামলাটি এখনও বিচারাধীন ও তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তাকে বিগত কয়েক মাস ধরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। এর মধ্যে মামলার বাদী সাদিয়া রহমান মিথিলা নতুন করে তার বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
মিথিলার দাবি, হিরো আলম তার কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নিয়েছেন, কিন্তু তা এখনও ফেরত দেননি। তিনি বলেন, টাকা সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র ও প্রমাণপত্র তার কাছে রয়েছে এবং প্রয়োজনে আদালতে তা দাখিল করবেন। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা সংগ্রহ করতে তাকে নিজের একটি জমি বিক্রি করতে হয়েছে, এবং সেই লেনদেনের নথি তার কাছে সংরক্ষিত আছে।
হিরো আলমের বিরুদ্ধে মূল মামলা ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দায়ের করা হয়েছিল। ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তাকে নায়িকা বানানোর প্রলোভনে আকৃষ্ট করে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা হয়েছিল এবং পুলিশ প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। পরবর্তীতে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে পাঠায়।
এখন পর্যন্ত হিরো আলমের পক্ষ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নতুন আর্থিক অভিযোগটি মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে মামলাটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং আদালতের পরবর্তী শুনানির জন্য প্রস্তুত।
হিরো আলমের বিরুদ্ধে থাকা ধর্ষণ ও নির্যাতন মামলার পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। অভিযোগকারী বলেন, তিনি এই টাকা ফেরত চান এবং প্রমাণাদি আদালতে দাখিল করার কথা জানিয়েছেন। মামলাটি এখনও বিচারাধীন ও তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন