ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার লেবাননে অবস্থিত দূতাবাস থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে। বিষয়টি মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি থাকায় নিরাপত্তা বিবেচনায় আমেরিকা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তার যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করেছে। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে মার্কিন দূতাবাসের অন্তত ৩০ থেকে ৫০ জন কর্মী এবং তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে, উত্তেজনার অবনতি হলে ইরান তার মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর মাধ্যমে দূতাবাস ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে।
ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করার বিষয়ে তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনায় বসার কথা রয়েছে, যা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে গমন থেকে বিরত রাখতে একটি অর্থবহ চুক্তি চান, এবং কোনো চুক্তি না হলে “খারাপ কিছু ঘটতে পারে” বলে সতর্ক করেছেন।
এই অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা ইতোমধ্যেই অনেক দেশকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের দিকে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনার প্রভাব রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক স্তরে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার লেবাননে অবস্থিত দূতাবাস থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে। বিষয়টি মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি থাকায় নিরাপত্তা বিবেচনায় আমেরিকা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তার যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করেছে। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে মার্কিন দূতাবাসের অন্তত ৩০ থেকে ৫০ জন কর্মী এবং তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে, উত্তেজনার অবনতি হলে ইরান তার মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর মাধ্যমে দূতাবাস ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে।
ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করার বিষয়ে তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনায় বসার কথা রয়েছে, যা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে গমন থেকে বিরত রাখতে একটি অর্থবহ চুক্তি চান, এবং কোনো চুক্তি না হলে “খারাপ কিছু ঘটতে পারে” বলে সতর্ক করেছেন।
এই অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা ইতোমধ্যেই অনেক দেশকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের দিকে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনার প্রভাব রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক স্তরে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন