কুয়ালালামপুর, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৫০ দিনে সাত হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে। দেশটিতে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয়তার প্রবাসীদের বিরুদ্ধে এ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন দেশের কতজন আটক হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং আইন ও বিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।
তিনি জানান, নির্ধারিত সময়কালে আইন প্রয়োগ শাখা মোট এক হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে এবং ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে সাত হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চার হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এ ছাড়া অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের অপরাধে এক হাজার ২৫০টি মামলা হয়েছে ১৫(১)(সি) ধারায় এবং পাসের শর্ত ভঙ্গের কারণে ৮০৬টি মামলা হয়েছে ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী। বাকি ১৮৩টি মামলা অন্যান্য অপরাধে নথিভুক্ত হয়েছে।
আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিক রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে কর্তৃপক্ষকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুয়ালালামপুর, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৫০ দিনে সাত হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে। দেশটিতে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয়তার প্রবাসীদের বিরুদ্ধে এ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন দেশের কতজন আটক হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং আইন ও বিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।
তিনি জানান, নির্ধারিত সময়কালে আইন প্রয়োগ শাখা মোট এক হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে এবং ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে সাত হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চার হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এ ছাড়া অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের অপরাধে এক হাজার ২৫০টি মামলা হয়েছে ১৫(১)(সি) ধারায় এবং পাসের শর্ত ভঙ্গের কারণে ৮০৬টি মামলা হয়েছে ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী। বাকি ১৮৩টি মামলা অন্যান্য অপরাধে নথিভুক্ত হয়েছে।
আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিক রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে কর্তৃপক্ষকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন