মস্কো, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছেন, দেশের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে 'নিউক্লিয়ার ট্রায়াড' বা পারমাণবিক ত্রয়ীর উন্নয়নই থাকবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার জাতীয় দিবস 'ডিফেন্ডার অব দ্য ফাদারল্যান্ড ডে' উপলক্ষে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় পুতিন এ কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
পুতিন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে রুশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা হবে। বিজ্ঞান ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর সব শাখার যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধিরও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নিউক্লিয়ার ট্রায়াড সম্পর্কে পুতিন বলেন, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, সাবমেরিন-নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং কৌশলগত বোমারু বিমান— এই তিনটি মাধ্যম মিলে গঠিত পারমাণবিক ত্রয়ী রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। তাই এর উন্নয়ন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।
পুতিনের এই ঘোষণা এলো রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সর্বশেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে। তবে মস্কো জানিয়েছে, তারা নিজেরা উত্তেজনা বৃদ্ধিতে প্রথম পদক্ষেপ নেবে না এবং পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে না— এ শর্তে যে ওয়াশিংটনও একই নীতি অনুসরণ করবে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ভবিষ্যৎ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে চীনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন প্রক্রিয়া থমকে যায়। চীন অবশ্য এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ তাদের পারমাণবিক ভাণ্ডার রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক ছোট এবং একই কাঠামোয় তাদের অন্তর্ভুক্তি তারা ন্যায্য মনে করে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মস্কো, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছেন, দেশের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে 'নিউক্লিয়ার ট্রায়াড' বা পারমাণবিক ত্রয়ীর উন্নয়নই থাকবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার জাতীয় দিবস 'ডিফেন্ডার অব দ্য ফাদারল্যান্ড ডে' উপলক্ষে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় পুতিন এ কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
পুতিন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে রুশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা হবে। বিজ্ঞান ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর সব শাখার যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধিরও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নিউক্লিয়ার ট্রায়াড সম্পর্কে পুতিন বলেন, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, সাবমেরিন-নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং কৌশলগত বোমারু বিমান— এই তিনটি মাধ্যম মিলে গঠিত পারমাণবিক ত্রয়ী রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। তাই এর উন্নয়ন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।
পুতিনের এই ঘোষণা এলো রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সর্বশেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে। তবে মস্কো জানিয়েছে, তারা নিজেরা উত্তেজনা বৃদ্ধিতে প্রথম পদক্ষেপ নেবে না এবং পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে না— এ শর্তে যে ওয়াশিংটনও একই নীতি অনুসরণ করবে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ভবিষ্যৎ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে চীনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন প্রক্রিয়া থমকে যায়। চীন অবশ্য এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ তাদের পারমাণবিক ভাণ্ডার রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক ছোট এবং একই কাঠামোয় তাদের অন্তর্ভুক্তি তারা ন্যায্য মনে করে না।

আপনার মতামত লিখুন