রাঁচি (ভারত), ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে বিমানের সাতজন আরোহী সকলেই নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চাতরা জেলার সিমারিয়া এলাকার কাছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের প্রায় আধা ঘণ্টা পর বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে সিমারিয়ার বাড়িয়াতু পঞ্চায়েত এলাকার একটি গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত অবস্থায় সেটির সন্ধান পাওয়া যায়।
চাতরার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি. সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, বিমানে থাকা সাতজনের কেউই বেঁচে নেই। রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার জানান, উড্ডয়নের পর বিমানটি কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে একবার যোগাযোগ করেছিল, তবে এরপরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বইছিল। প্রাথমিক ধারণা, বৈরী আবহাওয়াই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ।
রোগীর স্বজনরা জানান, সড়কপথে পরিবহন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উড্ডয়নের অল্প সময়ের মধ্যেই দুর্ঘটনার মর্মান্তিক খবর আসে।
এ ঘটনায় ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। উল্লেখ্য, রেডবার্ড এয়ারওয়েজ ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০১৯ সাল থেকে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্যমতে, সংস্থাটির মোট ছয়টি বিমানের একটি এই দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাঁচি (ভারত), ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে বিমানের সাতজন আরোহী সকলেই নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চাতরা জেলার সিমারিয়া এলাকার কাছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের প্রায় আধা ঘণ্টা পর বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে সিমারিয়ার বাড়িয়াতু পঞ্চায়েত এলাকার একটি গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত অবস্থায় সেটির সন্ধান পাওয়া যায়।
চাতরার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি. সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, বিমানে থাকা সাতজনের কেউই বেঁচে নেই। রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার জানান, উড্ডয়নের পর বিমানটি কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে একবার যোগাযোগ করেছিল, তবে এরপরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বইছিল। প্রাথমিক ধারণা, বৈরী আবহাওয়াই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ।
রোগীর স্বজনরা জানান, সড়কপথে পরিবহন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উড্ডয়নের অল্প সময়ের মধ্যেই দুর্ঘটনার মর্মান্তিক খবর আসে।
এ ঘটনায় ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। উল্লেখ্য, রেডবার্ড এয়ারওয়েজ ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০১৯ সাল থেকে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্যমতে, সংস্থাটির মোট ছয়টি বিমানের একটি এই দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হলো।

আপনার মতামত লিখুন