পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়ার প্রেক্ষাপটে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে কোটা বিরোধী ঐক্যজোট। বুধবার রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নিকট পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এ সর্বশেষ সরাসরি পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে। এরপর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিয়োগ বা মনোনয়নের ভিত্তিতে পরিষদ গঠিত হলেও জাতীয় সংসদ, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সংগঠনের নেতারা মনে করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব না থাকায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা দুর্বল হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ সীমিত হয়ে পড়েছে। একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা পরিষদ গঠন করলে পার্বত্য অঞ্চলে আস্থা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষক নিয়োগসহ শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং সকল জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি। এসব লক্ষ্য সামনে রেখে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দেয়া হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জনি, সদস্য সচিব নুরুল আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মজুমদার, যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হোসেন, মো. ইউসুফ ও মো. ইব্রাহীমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, সরকার দ্রুত পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদারে কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়ার প্রেক্ষাপটে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে কোটা বিরোধী ঐক্যজোট। বুধবার রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নিকট পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এ সর্বশেষ সরাসরি পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে। এরপর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিয়োগ বা মনোনয়নের ভিত্তিতে পরিষদ গঠিত হলেও জাতীয় সংসদ, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সংগঠনের নেতারা মনে করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব না থাকায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা দুর্বল হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ সীমিত হয়ে পড়েছে। একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা পরিষদ গঠন করলে পার্বত্য অঞ্চলে আস্থা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষক নিয়োগসহ শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং সকল জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি। এসব লক্ষ্য সামনে রেখে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দেয়া হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জনি, সদস্য সচিব নুরুল আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মজুমদার, যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হোসেন, মো. ইউসুফ ও মো. ইব্রাহীমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, সরকার দ্রুত পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদারে কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন