চুয়াডাঙ্গার চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে জেলার দুই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। এছাড়া জেলার সিভিল সার্জন ডা. হাদি জিয়া উদ্দিন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় হাসপাতালের সার্বিক সেবার মানোন্নয়ন, রোগীদের সঙ্গে মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে। দুই সংসদ সদস্য হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে জনসেবায় নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান।
তবে সভাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। স্থানীয় একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম দাবি করে, সভার সময় শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, সংসদ সদস্যদের সঙ্গে স্বল্প সময়ের মতবিনিময় হয়েছিল এবং ওই সময়েও চিকিৎসাসেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলমান ছিল। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেলও একই কথা জানিয়ে বলেন, তারা যখন সভাকক্ষে প্রবেশ করেন এবং যখন বের হন, উভয় সময়ই রোগীরা স্বাভাবিকভাবে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছিলেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা সফল হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গার স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বয় সভা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে জেলার দুই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। এছাড়া জেলার সিভিল সার্জন ডা. হাদি জিয়া উদ্দিন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় হাসপাতালের সার্বিক সেবার মানোন্নয়ন, রোগীদের সঙ্গে মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে। দুই সংসদ সদস্য হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে জনসেবায় নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান।
তবে সভাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। স্থানীয় একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম দাবি করে, সভার সময় শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, সংসদ সদস্যদের সঙ্গে স্বল্প সময়ের মতবিনিময় হয়েছিল এবং ওই সময়েও চিকিৎসাসেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলমান ছিল। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেলও একই কথা জানিয়ে বলেন, তারা যখন সভাকক্ষে প্রবেশ করেন এবং যখন বের হন, উভয় সময়ই রোগীরা স্বাভাবিকভাবে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছিলেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা সফল হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গার স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বয় সভা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন