শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মামলার হুমকিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, ঢাকা-১৩ আসনে 'ফলাফল ডাকাতি' এবং মিথ্যাচার অব্যাহত থাকলে তা সরকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। বিবৃতিতে দলটির আমির ও ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণাকে সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেওয়া হয়।
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার সকালে। নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী হামলায় আহত বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মীকে দেখতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেখানে তিনি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করার ঘোষণা দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে খেলাফত মজলিসের বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজের এ বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়। বিবৃতিতে জালালুদ্দীন আহমদ উল্লেখ করেন, ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের রিকশা প্রতীকের প্রতি বিপুল জনসমর্থন স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর একটি প্রভাবশালী মহল ফলাফল বিকৃতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, বৈধ ভোট অবৈধ ঘোষণা, ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ্য কারচুপি হয়েছে। তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রায় ২০ মিনিট মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণার পর হঠাৎ সংশোধিত ফলাফল প্রচার করা হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ ও ফলাফল স্থগিতের আবেদন করা হলেও তা উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে শেখ হাসিনার পরিবারের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের কথিত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরা হয় এবং অতীতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চরিত্রহননের যে প্রচেষ্টা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিকে তার ধারাবাহিকতা হিসেবে চিত্রিত করা হয়। দলটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, জনরায়ের বিরুদ্ধে এই ধরনের অপপ্রচার ও মামলার হুমকি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মামলার হুমকিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, ঢাকা-১৩ আসনে 'ফলাফল ডাকাতি' এবং মিথ্যাচার অব্যাহত থাকলে তা সরকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। বিবৃতিতে দলটির আমির ও ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণাকে সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেওয়া হয়।
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার সকালে। নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী হামলায় আহত বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মীকে দেখতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেখানে তিনি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করার ঘোষণা দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে খেলাফত মজলিসের বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজের এ বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়। বিবৃতিতে জালালুদ্দীন আহমদ উল্লেখ করেন, ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের রিকশা প্রতীকের প্রতি বিপুল জনসমর্থন স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর একটি প্রভাবশালী মহল ফলাফল বিকৃতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, বৈধ ভোট অবৈধ ঘোষণা, ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ্য কারচুপি হয়েছে। তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রায় ২০ মিনিট মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণার পর হঠাৎ সংশোধিত ফলাফল প্রচার করা হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ ও ফলাফল স্থগিতের আবেদন করা হলেও তা উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে শেখ হাসিনার পরিবারের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের কথিত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরা হয় এবং অতীতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চরিত্রহননের যে প্রচেষ্টা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিকে তার ধারাবাহিকতা হিসেবে চিত্রিত করা হয়। দলটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, জনরায়ের বিরুদ্ধে এই ধরনের অপপ্রচার ও মামলার হুমকি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন