ফ্রান্সে একজন কট্টর-ডানপন্থী তরুণ অ্যাক্টিভিস্টের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত চার্লস কুশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করা হচ্ছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত গত ১২ ফেব্রুয়ারি লিয়ঁ শহরে সংঘটিত একটি সংঘর্ষকে ঘিরে। ওই সংঘর্ষে ২৩ বছর বয়সী কুয়েন্টিন দেরাঙ্ক নামের এক কট্টর-ডানপন্থী তরুণ মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং দুই দিন পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফ্রান্সজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দুজনের বিরুদ্ধে হত্যার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরিস্থিতি জটিলতর হয় গত শুক্রবার, যখন ফ্রান্সে মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সন্ত্রাসবিরোধী ব্যুরোর একটি পোস্ট শেয়ার করে। সেই পোস্টে দাবি করা হয়, দেরাঙ্ক বামপন্থী উগ্রবাদীদের কাছে প্রাণ হারিয়েছেন এবং ইউরোপে সহিংস উগ্র বামপন্থার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। ট্রাম্প প্রশাসনও পুরো বিষয়টিকে 'বামপন্থী সহিংসতার পরিণতি' হিসেবে চিত্রিত করে।
এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল বারো। রেডিও ফ্রান্স ইন্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেরাঙ্কের মৃত্যুর ঘটনা ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ বিষয়, এতে মার্কিন দূতাবাসের হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি এই মন্তব্যকে সরাসরি 'হস্তক্ষেপ' বলে আখ্যায়িত করেন।
উল্লেখ্য, ফ্রান্স এর আগেও রাষ্ট্রদূত কুশনারকে তলব করেছিল। ২০২৫ সালের আগস্টে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলায় ফ্রান্সকে নিয়ে মার্কিন অভিযোগের প্রেক্ষাপটেও একই পদক্ষেপ নিয়েছিল ফরাসি কর্তৃপক্ষ। বর্তমান পরিস্থিতি মার্কিন-ফরাসি কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েনের আভাস দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফ্রান্সে একজন কট্টর-ডানপন্থী তরুণ অ্যাক্টিভিস্টের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত চার্লস কুশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করা হচ্ছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত গত ১২ ফেব্রুয়ারি লিয়ঁ শহরে সংঘটিত একটি সংঘর্ষকে ঘিরে। ওই সংঘর্ষে ২৩ বছর বয়সী কুয়েন্টিন দেরাঙ্ক নামের এক কট্টর-ডানপন্থী তরুণ মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং দুই দিন পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফ্রান্সজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দুজনের বিরুদ্ধে হত্যার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরিস্থিতি জটিলতর হয় গত শুক্রবার, যখন ফ্রান্সে মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সন্ত্রাসবিরোধী ব্যুরোর একটি পোস্ট শেয়ার করে। সেই পোস্টে দাবি করা হয়, দেরাঙ্ক বামপন্থী উগ্রবাদীদের কাছে প্রাণ হারিয়েছেন এবং ইউরোপে সহিংস উগ্র বামপন্থার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। ট্রাম্প প্রশাসনও পুরো বিষয়টিকে 'বামপন্থী সহিংসতার পরিণতি' হিসেবে চিত্রিত করে।
এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল বারো। রেডিও ফ্রান্স ইন্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেরাঙ্কের মৃত্যুর ঘটনা ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ বিষয়, এতে মার্কিন দূতাবাসের হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি এই মন্তব্যকে সরাসরি 'হস্তক্ষেপ' বলে আখ্যায়িত করেন।
উল্লেখ্য, ফ্রান্স এর আগেও রাষ্ট্রদূত কুশনারকে তলব করেছিল। ২০২৫ সালের আগস্টে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলায় ফ্রান্সকে নিয়ে মার্কিন অভিযোগের প্রেক্ষাপটেও একই পদক্ষেপ নিয়েছিল ফরাসি কর্তৃপক্ষ। বর্তমান পরিস্থিতি মার্কিন-ফরাসি কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েনের আভাস দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন