সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)-এর সদস্যসচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি বলেছেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপি সংবাদ সম্মেলনে পাঠ করা তার ব্যক্তিগত বক্তব্য নয়। তিনি জানিয়েছেন, এই স্মারকলিপি সংগঠনের আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল–এর অনুরোধে ও স্বাক্ষরিত লিখিত নির্দেশ অনুযায়ী পাঠ করেছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, “স্মারকলিপিটি সম্পূর্ণভাবে নীলা ইসরাফিল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে; আমি এর রচয়িতা নই। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি নি।”
তনি অভিযোগ করেছেন, সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার প্রাণনাশের হুমকি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ প্রচারের শিকার হচ্ছেন। তিনি আরও জানান, অনলাইন বুলিং, ট্রলিং ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও পেশাগত সুনাম ঝুঁকিতে ফেলেছে।
তনি জানিয়েছেন, হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ফৌজদারি মামলা করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সাইবার আইনসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগ করে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে প্রাণনাশের হুমকি, মানহানি ও নিরাপত্তা হুমকির কোনো কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)-এর সদস্যসচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি বলেছেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপি সংবাদ সম্মেলনে পাঠ করা তার ব্যক্তিগত বক্তব্য নয়। তিনি জানিয়েছেন, এই স্মারকলিপি সংগঠনের আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল–এর অনুরোধে ও স্বাক্ষরিত লিখিত নির্দেশ অনুযায়ী পাঠ করেছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, “স্মারকলিপিটি সম্পূর্ণভাবে নীলা ইসরাফিল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে; আমি এর রচয়িতা নই। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি নি।”
তনি অভিযোগ করেছেন, সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার প্রাণনাশের হুমকি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ প্রচারের শিকার হচ্ছেন। তিনি আরও জানান, অনলাইন বুলিং, ট্রলিং ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও পেশাগত সুনাম ঝুঁকিতে ফেলেছে।
তনি জানিয়েছেন, হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ফৌজদারি মামলা করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সাইবার আইনসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগ করে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে প্রাণনাশের হুমকি, মানহানি ও নিরাপত্তা হুমকির কোনো কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন