চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও নির্বাচনী বিরোধের জেরে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিল খার হাট এলাকায় এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন।
সহিংসতার ঘটনায় গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে কর্ণফুলী থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. সাহেদুল আলম টিটু। মামলায় ১০ জনের নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আলমগীর (৩৪), মামুন (১৯), বাহাদুর খান (৫০), মুন্না (২২) ও আবরার (২২) সহ আরও কয়েকজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর দীঘির পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট চলাকালীন জামায়াত কর্মীরা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে বিএনপি কর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান। ওই ঘটনার জেরে গত শুক্রবার রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে যুবদল নেতা টিটু, কৃষক দল নেতা মনজুর ও শ্রমিক দল নেতা ফারুকসহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর জমান। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করা হয়েছে। উপজেলা জামায়াতের আমির মনির আবছার চৌধুরী ও সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর এক বিবৃতিতে জানান, গত শুক্রবার বিএনপির লোকজন জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালায়। পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য ফাজিল খার হাট বাজারে গেলে যুবদল নেতা টিটুর নেতৃত্বে তাদের ওপর পুনরায় আক্রমণ করা হয়। এই হামলায় জামায়াত কর্মী এনাম, মামুন ও জাকারিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে এনামের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও নির্বাচনী বিরোধের জেরে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিল খার হাট এলাকায় এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন।
সহিংসতার ঘটনায় গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে কর্ণফুলী থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. সাহেদুল আলম টিটু। মামলায় ১০ জনের নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আলমগীর (৩৪), মামুন (১৯), বাহাদুর খান (৫০), মুন্না (২২) ও আবরার (২২) সহ আরও কয়েকজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর দীঘির পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট চলাকালীন জামায়াত কর্মীরা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে বিএনপি কর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান। ওই ঘটনার জেরে গত শুক্রবার রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে যুবদল নেতা টিটু, কৃষক দল নেতা মনজুর ও শ্রমিক দল নেতা ফারুকসহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর জমান। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করা হয়েছে। উপজেলা জামায়াতের আমির মনির আবছার চৌধুরী ও সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর এক বিবৃতিতে জানান, গত শুক্রবার বিএনপির লোকজন জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালায়। পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য ফাজিল খার হাট বাজারে গেলে যুবদল নেতা টিটুর নেতৃত্বে তাদের ওপর পুনরায় আক্রমণ করা হয়। এই হামলায় জামায়াত কর্মী এনাম, মামুন ও জাকারিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে এনামের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন