চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শান্তি পাড়ায় কথিত একটি পতিতালয়কে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপ চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত স্থাপনাটির সামনেই একটি বিজিবি ক্যাম্প অবস্থিত। সীমান্তবর্তী এই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একাধিক বাসিন্দা জানান, রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানের পাশে এ ধরনের অভিযোগ উঠায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রেলস্টেশন এলাকায় প্রতিদিন বহু মানুষ চলাচল করে। তার ওপর সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প থাকা সত্ত্বেও যদি এমন অভিযোগ ওঠে, তাহলে আমরা কোথায় যাব?” অভিভাবকদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এলাকার তরুণ সমাজ বিপথে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের অবনতি ঘটতে পারে।
এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমানের প্রতি এলাকাবাসীর প্রত্যাশা বেড়েছে। তারা মনে করছেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি প্রশাসন, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
সচেতন মহল বলছে, অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও সামাজিক পুনর্গঠনের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত। শান্তি পাড়ার সাধারণ মানুষ এখন দ্রুত তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শান্তি পাড়ায় কথিত একটি পতিতালয়কে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপ চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত স্থাপনাটির সামনেই একটি বিজিবি ক্যাম্প অবস্থিত। সীমান্তবর্তী এই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একাধিক বাসিন্দা জানান, রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানের পাশে এ ধরনের অভিযোগ উঠায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রেলস্টেশন এলাকায় প্রতিদিন বহু মানুষ চলাচল করে। তার ওপর সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প থাকা সত্ত্বেও যদি এমন অভিযোগ ওঠে, তাহলে আমরা কোথায় যাব?” অভিভাবকদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এলাকার তরুণ সমাজ বিপথে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের অবনতি ঘটতে পারে।
এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমানের প্রতি এলাকাবাসীর প্রত্যাশা বেড়েছে। তারা মনে করছেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি প্রশাসন, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
সচেতন মহল বলছে, অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও সামাজিক পুনর্গঠনের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত। শান্তি পাড়ার সাধারণ মানুষ এখন দ্রুত তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন