আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক এক আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান এই অভিযান চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কাবুল/ইসলামাবাদ: প্রতিবেশী দুই দেশ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। শনিবার দিবাগত রাতে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে পাকিস্তান বিমান বাহিনী সিরিজ হামলা চালায়। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক কড়া বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা সীমান্তবর্তী প্রদেশে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) ও আবাসিক বাড়িতে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এতে সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছেন। আফগান সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কেবল নাঙ্গারহারেই নিহতের সংখ্যা ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল 'ফিতনা আল খারিজ' (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি)-এর সহযোগী সংগঠন এবং ‘দায়েশ-খোরাসান’ বা আইএস-কে (IS-K) এর সাতটি গোপন আস্তানা।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বারবার পাকিস্তানে আক্রমণ চালাচ্ছে। ইসলামাবাদ এ বিষয়ে কাবুল সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করলেও তালেবান প্রশাসন কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তান এই অভিযান চালাতে বাধ্য হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিমান হামলার ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। সীমান্ত অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান এই সহিংসতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। হামলার পর সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক এক আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান এই অভিযান চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কাবুল/ইসলামাবাদ: প্রতিবেশী দুই দেশ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। শনিবার দিবাগত রাতে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে পাকিস্তান বিমান বাহিনী সিরিজ হামলা চালায়। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক কড়া বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা সীমান্তবর্তী প্রদেশে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) ও আবাসিক বাড়িতে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এতে সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছেন। আফগান সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কেবল নাঙ্গারহারেই নিহতের সংখ্যা ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল 'ফিতনা আল খারিজ' (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি)-এর সহযোগী সংগঠন এবং ‘দায়েশ-খোরাসান’ বা আইএস-কে (IS-K) এর সাতটি গোপন আস্তানা।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বারবার পাকিস্তানে আক্রমণ চালাচ্ছে। ইসলামাবাদ এ বিষয়ে কাবুল সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করলেও তালেবান প্রশাসন কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তান এই অভিযান চালাতে বাধ্য হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিমান হামলার ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। সীমান্ত অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান এই সহিংসতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। হামলার পর সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন