দুই দশকের মার্কিন দখলের সময় আফগানিস্তান ছিল বিশ্বে আফিমের সবচেয়ে বড় উৎপাদক। ক্ষমতায় ফিরে ইমারাতে ইসলামিয়া সব ধরনের মাদক চাষ, উৎপাদন ও বিক্রির ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। জাতিসংঘও স্বীকার করেছে যে আফগান ভূমিতে মাদক চাষ প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে।
এই ধারাবাহিক নীতিমালার অংশ হিসেবে উরুজগান প্রদেশের পুলিশ সম্প্রতি ৩ হাজার ৮৪৫ কিলোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মাদক ধ্বংস করেছে। পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ধ্বংস কার্যক্রম প্রাদেশিক কেন্দ্র তারিনকোটের পাশাপাশি গিজাব, চোরাহ এবং দেহরাউদ জেলায় পরিচালিত হয়েছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, এই পরিমাণ মাদক গত এক মাসে মাদকবিরোধী দপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন কারখানা ও মাদক উৎপাদন ও সংরক্ষণের স্থাপনাগুলো থেকে জব্দ করা হয়েছে। অভিযান শেষে সমস্ত মাদক সরকারি নিরাপদ স্থানে সংগ্রহ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
আফগান সরকারের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের নিয়মিত অভিযান আফগানিস্তানের মাদক উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক পাচারের প্রবণতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুই দশকের মার্কিন দখলের সময় আফগানিস্তান ছিল বিশ্বে আফিমের সবচেয়ে বড় উৎপাদক। ক্ষমতায় ফিরে ইমারাতে ইসলামিয়া সব ধরনের মাদক চাষ, উৎপাদন ও বিক্রির ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। জাতিসংঘও স্বীকার করেছে যে আফগান ভূমিতে মাদক চাষ প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে।
এই ধারাবাহিক নীতিমালার অংশ হিসেবে উরুজগান প্রদেশের পুলিশ সম্প্রতি ৩ হাজার ৮৪৫ কিলোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মাদক ধ্বংস করেছে। পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ধ্বংস কার্যক্রম প্রাদেশিক কেন্দ্র তারিনকোটের পাশাপাশি গিজাব, চোরাহ এবং দেহরাউদ জেলায় পরিচালিত হয়েছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, এই পরিমাণ মাদক গত এক মাসে মাদকবিরোধী দপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন কারখানা ও মাদক উৎপাদন ও সংরক্ষণের স্থাপনাগুলো থেকে জব্দ করা হয়েছে। অভিযান শেষে সমস্ত মাদক সরকারি নিরাপদ স্থানে সংগ্রহ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
আফগান সরকারের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের নিয়মিত অভিযান আফগানিস্তানের মাদক উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক পাচারের প্রবণতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন