শনিবার তেল আবিবে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সেনারা যদি পশ্চিম এশিয়ার পুরো অঞ্চল দখল করে নেন, তা হলে সেটা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। হাকাবি বলেন, এই ভূখণ্ডের ওপর ইহুদি জনগণের অধিকার বাইবেলে নির্ধারিত রয়েছে।
হাকাবি যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির প্রাক্তন নেতা এবং ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে ইসরায়েলে রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করা হয়। তার মন্তব্য আসে লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর এবং পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার সময়, যেখানে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আল-আকসা মসজিদে নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
রাষ্ট্রদূত হাকাবি বলেন, ‘‘ইসরায়েল সত্যিই পুরো অঞ্চল দখল করার পরিকল্পনা করছে না এবং এমন দাবিও তুলেছে না।” তিনি আরও জানান, বাইবেলে ইব্রাহিমের বংশধরদের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডটি ফোরাত নদী থেকে মিসরের নীল নদের মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত, যা আধুনিক লেবানন, সিরিয়া, জর্ডান ও সৌদি আরবের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মন্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর ইতোমধ্যে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে, যা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। বিশেষত রমজানকালে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন কোনও সংঘাত বড় অশান্তির সূচনা করতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনিবার তেল আবিবে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সেনারা যদি পশ্চিম এশিয়ার পুরো অঞ্চল দখল করে নেন, তা হলে সেটা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। হাকাবি বলেন, এই ভূখণ্ডের ওপর ইহুদি জনগণের অধিকার বাইবেলে নির্ধারিত রয়েছে।
হাকাবি যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির প্রাক্তন নেতা এবং ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে ইসরায়েলে রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করা হয়। তার মন্তব্য আসে লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর এবং পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার সময়, যেখানে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আল-আকসা মসজিদে নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
রাষ্ট্রদূত হাকাবি বলেন, ‘‘ইসরায়েল সত্যিই পুরো অঞ্চল দখল করার পরিকল্পনা করছে না এবং এমন দাবিও তুলেছে না।” তিনি আরও জানান, বাইবেলে ইব্রাহিমের বংশধরদের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডটি ফোরাত নদী থেকে মিসরের নীল নদের মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত, যা আধুনিক লেবানন, সিরিয়া, জর্ডান ও সৌদি আরবের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মন্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর ইতোমধ্যে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে, যা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। বিশেষত রমজানকালে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন কোনও সংঘাত বড় অশান্তির সূচনা করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন