ভারত ও ব্রাজিল খনিজ ও খনন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই করেছে। শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত মোদি–লুলা বৈঠকের সময় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
চুক্তির মাধ্যমে খনিজ অনুসন্ধান, খনন কার্যক্রম এবং ইস্পাত শিল্পে বিনিয়োগে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভারতের ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে ইস্পাত ও কাঁচামালের চাহিদা বাড়ছে, যা পূরণে ব্রাজিলের খনিজ সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত–ব্রাজিল দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বলে জানানো হয়।
ব্রাজিল লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দুই দেশ দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। খনিজ খাতের পাশাপাশি প্রযুক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর ও উদ্ভাবন খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক কাঁচামাল প্রতিযোগিতা ও শিল্পায়নের চাপে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভারত ও ব্রাজিলের এই চুক্তি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারত ও ব্রাজিল খনিজ ও খনন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই করেছে। শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত মোদি–লুলা বৈঠকের সময় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
চুক্তির মাধ্যমে খনিজ অনুসন্ধান, খনন কার্যক্রম এবং ইস্পাত শিল্পে বিনিয়োগে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভারতের ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে ইস্পাত ও কাঁচামালের চাহিদা বাড়ছে, যা পূরণে ব্রাজিলের খনিজ সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত–ব্রাজিল দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বলে জানানো হয়।
ব্রাজিল লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দুই দেশ দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। খনিজ খাতের পাশাপাশি প্রযুক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর ও উদ্ভাবন খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক কাঁচামাল প্রতিযোগিতা ও শিল্পায়নের চাপে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভারত ও ব্রাজিলের এই চুক্তি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন