মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা বা টিবি সংক্রমণ উদ্বেগজনক গতিতে বাড়ছে। আসন্ন রমজান মাসে সামাজিক মেলামেশা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ষষ্ঠ মহামারিতাত্ত্বিক সপ্তাহে দেশজুড়ে নতুন করে ৫৯৬ জন টিবি রোগী শনাক্ত হয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ১৬১ জনে পৌঁছেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিড়, বদ্ধ ও অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলযুক্ত পরিবেশে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। চিকিৎসা না করা সক্রিয় টিবি রোগী কাছাকাছি থাকলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। রমজান নিজে টিবি ছড়ানোর কারণ নয়, তবে এই সময়ে ইফতার মাহফিল, তারাবির নামাজসহ নানা সামাজিক আয়োজনে মানুষের জমায়েত বাড়ায় সংক্রমণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯-এর তুলনায় টিবি তুলনামূলক ধীরে ছড়ায় এবং সাধারণত দীর্ঘ সময়ের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
রাজ্যওয়ারী তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সর্বোচ্চ ৭৫৫টি মামলা নিয়ে সাবাহ শীর্ষে রয়েছে। এরপর সেলাঙ্গরে ৫৯৬, সারাওয়াকে ৩৩২, জোহরে ২৮০ এবং কুয়ালালামপুর-পুত্রাজায়ায় মিলিয়ে ২৪৪টি মামলা শনাক্ত হয়েছে। কেদাহতে ১৮১, পেনাংয়ে ১৭২, পেরাকে ১৫৪, কেলান্তানে ১২১ ও পাহাংয়ে ১০৩টি মামলা রয়েছে। তেরেঙ্গানুতে ৭৪, নেগেরি সেম্বিলানে ৬২, মেলাকায় ৪৮, পারলিসে ২১ এবং লাবুয়ানে সর্বনিম্ন ১৮টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে কাশি ও হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা, ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা, জনসমাগমে মাস্ক পরা এবং দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে, সম্মিলিত সচেতনতা ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও সুস্থ রমজান উদযাপন করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা বা টিবি সংক্রমণ উদ্বেগজনক গতিতে বাড়ছে। আসন্ন রমজান মাসে সামাজিক মেলামেশা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ষষ্ঠ মহামারিতাত্ত্বিক সপ্তাহে দেশজুড়ে নতুন করে ৫৯৬ জন টিবি রোগী শনাক্ত হয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ১৬১ জনে পৌঁছেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিড়, বদ্ধ ও অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলযুক্ত পরিবেশে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। চিকিৎসা না করা সক্রিয় টিবি রোগী কাছাকাছি থাকলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। রমজান নিজে টিবি ছড়ানোর কারণ নয়, তবে এই সময়ে ইফতার মাহফিল, তারাবির নামাজসহ নানা সামাজিক আয়োজনে মানুষের জমায়েত বাড়ায় সংক্রমণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯-এর তুলনায় টিবি তুলনামূলক ধীরে ছড়ায় এবং সাধারণত দীর্ঘ সময়ের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
রাজ্যওয়ারী তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সর্বোচ্চ ৭৫৫টি মামলা নিয়ে সাবাহ শীর্ষে রয়েছে। এরপর সেলাঙ্গরে ৫৯৬, সারাওয়াকে ৩৩২, জোহরে ২৮০ এবং কুয়ালালামপুর-পুত্রাজায়ায় মিলিয়ে ২৪৪টি মামলা শনাক্ত হয়েছে। কেদাহতে ১৮১, পেনাংয়ে ১৭২, পেরাকে ১৫৪, কেলান্তানে ১২১ ও পাহাংয়ে ১০৩টি মামলা রয়েছে। তেরেঙ্গানুতে ৭৪, নেগেরি সেম্বিলানে ৬২, মেলাকায় ৪৮, পারলিসে ২১ এবং লাবুয়ানে সর্বনিম্ন ১৮টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে কাশি ও হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা, ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা, জনসমাগমে মাস্ক পরা এবং দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে, সম্মিলিত সচেতনতা ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও সুস্থ রমজান উদযাপন করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন