ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কালাবুরাগি জেলায় অবস্থিত ডা. মালাকারেড্ডি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার সময় নকল রোধের কারণে এক সহকারী অধ্যাপকের ওপর শারীরিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা ঘটে হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা বিষয়ের পরীক্ষার সময়, যখন দায়িত্বরত সহকারী অধ্যাপক শিবরাজকুমার দেখতে পান শাহবাজ নামের এক শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নকল করছেন। অধ্যাপক তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র জব্দ করেন এবং তাকে পরীক্ষাকক্ষ থেকে বের হওয়ার নির্দেশ দেন।
ক্ষুব্ধ শাহবাজ হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে অধ্যাপকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মারধর শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অন্যান্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত এগিয়ে এসে শাহবাজকে জাপটে ধরে এবং অধ্যাপককে বাঁচান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর মারমুখী ওই শিক্ষার্থী আবার ফিরে এসে দ্বিতীয়বার অধ্যাপককে আঘাত করে। এতে কলেজের পরিবেশ মুহূর্তেই থমথমে হয়ে যায় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ শাহবাজের অভিভাবকদের অবহিত করেছে এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে ভবিষ্যতের সব পরীক্ষা থেকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সহকারী অধ্যাপক শিবরাজকুমার এখনও স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।
এই ঘটনায় ভারতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব নতুনভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কালাবুরাগি জেলায় অবস্থিত ডা. মালাকারেড্ডি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার সময় নকল রোধের কারণে এক সহকারী অধ্যাপকের ওপর শারীরিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা ঘটে হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা বিষয়ের পরীক্ষার সময়, যখন দায়িত্বরত সহকারী অধ্যাপক শিবরাজকুমার দেখতে পান শাহবাজ নামের এক শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নকল করছেন। অধ্যাপক তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র জব্দ করেন এবং তাকে পরীক্ষাকক্ষ থেকে বের হওয়ার নির্দেশ দেন।
ক্ষুব্ধ শাহবাজ হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে অধ্যাপকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মারধর শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অন্যান্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত এগিয়ে এসে শাহবাজকে জাপটে ধরে এবং অধ্যাপককে বাঁচান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর মারমুখী ওই শিক্ষার্থী আবার ফিরে এসে দ্বিতীয়বার অধ্যাপককে আঘাত করে। এতে কলেজের পরিবেশ মুহূর্তেই থমথমে হয়ে যায় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ শাহবাজের অভিভাবকদের অবহিত করেছে এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে ভবিষ্যতের সব পরীক্ষা থেকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সহকারী অধ্যাপক শিবরাজকুমার এখনও স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।
এই ঘটনায় ভারতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব নতুনভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন