বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের দিল্লি সফর ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বুধবার বিকেলে তিনি দেশে ফেরেন।
এর আগে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামকে হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে মাহদী বানিয়াচং থানা পোড়ানো এবং এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে হত্যার দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ বক্তব্যের জেরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়; পরে সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে তিনি মুক্তি পান।
বিবিসি বাংলা–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাহদী হাসান পর্তুগালের ভিসা নিতে ভারতের রাজধানী নিউ দিল্লি যান। কনট প্লেসে একটি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অবস্থানকালে কেউ তাকে শনাক্ত করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
এরপর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার ওপর নজরদারি শুরু করে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। তাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়নি; তবে ভারতবিরোধী বক্তব্য এবং একজন হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করার পর ভারতে অবস্থান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়—এ কথা তাকে জানানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
দিল্লি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় তাকে আলাদা করে প্রায় আধঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার ভারতীয় ভিসা বাতিল করা হয় বলে সূত্রের দাবি। তার কাছে দিল্লি-ঢাকা ইন্ডিগো ফ্লাইটের টিকিট ছিল এবং তিনি সেদিনই ঢাকায় ফিরে আসেন।
ঢাকায় ফিরে সাংবাদিকদের মাহদী বলেন, তাকে “এসএডি লিডার” ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা হিসেবে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবে তার কাছে ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার অভিযোগকে তিনি “গুজব” বলে উড়িয়ে দেন।
এ বিষয়ে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের দিল্লি সফর ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বুধবার বিকেলে তিনি দেশে ফেরেন।
এর আগে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামকে হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে মাহদী বানিয়াচং থানা পোড়ানো এবং এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে হত্যার দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ বক্তব্যের জেরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়; পরে সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে তিনি মুক্তি পান।
বিবিসি বাংলা–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাহদী হাসান পর্তুগালের ভিসা নিতে ভারতের রাজধানী নিউ দিল্লি যান। কনট প্লেসে একটি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অবস্থানকালে কেউ তাকে শনাক্ত করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
এরপর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার ওপর নজরদারি শুরু করে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। তাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়নি; তবে ভারতবিরোধী বক্তব্য এবং একজন হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করার পর ভারতে অবস্থান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়—এ কথা তাকে জানানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
দিল্লি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় তাকে আলাদা করে প্রায় আধঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার ভারতীয় ভিসা বাতিল করা হয় বলে সূত্রের দাবি। তার কাছে দিল্লি-ঢাকা ইন্ডিগো ফ্লাইটের টিকিট ছিল এবং তিনি সেদিনই ঢাকায় ফিরে আসেন।
ঢাকায় ফিরে সাংবাদিকদের মাহদী বলেন, তাকে “এসএডি লিডার” ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা হিসেবে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবে তার কাছে ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার অভিযোগকে তিনি “গুজব” বলে উড়িয়ে দেন।
এ বিষয়ে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

আপনার মতামত লিখুন