ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

'লাভ জিহাদ' রোধে গুজরাটে বিবাহ নিবন্ধন আইন সংশোধনের উদ্যোগ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

'লাভ জিহাদ' রোধে গুজরাটে বিবাহ নিবন্ধন আইন সংশোধনের উদ্যোগ

কথিত 'লাভ জিহাদ' তথা পরিচয় গোপন করে প্রতারণামূলক বিয়ে ঠেকাতে বিবাহ নিবন্ধন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের গুজরাট রাজ্য সরকার।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী গান্ধীনগরে চলমান বিধানসভা অধিবেশনে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, গুজরাটের মেয়েরা যাতে প্রতারণার শিকার না হন তা নিশ্চিত করা এবং সনাতন বিবাহপ্রথা সুরক্ষাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, বিয়ে নিবন্ধনের আবেদনে বর ও কনে উভয়কেই পিতামাতার সম্মতিপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি পিতামাতার পূর্ণ পরিচয়, ফোন নম্বর ও ঠিকানা বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে। আবেদন জমার পর সহকারী রেজিস্ট্রারকে ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের পিতামাতাকে বিষয়টি জানাতে হবে এবং সব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে এক মাসের মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

উপমুখ্যমন্ত্রী সাংঘভি অভিযোগ করেন, বর্তমানে পরিচয় গোপন করে বিয়ে এবং ভুয়া বিবাহ সনদ তৈরির ঘটনা ঘটছে। এমনকি যেসব গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের বসবাস নেই, সেখানেও বিপুল সংখ্যক নিকাহ সনদ ইস্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি জানান, 'গুজরাট ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন আইন ২০০৬'-এর আওতায় এই সংশোধনী আনা হচ্ছে এবং খসড়া প্রণয়নের আগে ৩০ দিন ধরে স্থানীয় জনগণের মতামত নেওয়া হয়েছে। আইনের বিস্তারিত তথ্য একটি নির্দিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


'লাভ জিহাদ' রোধে গুজরাটে বিবাহ নিবন্ধন আইন সংশোধনের উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

কথিত 'লাভ জিহাদ' তথা পরিচয় গোপন করে প্রতারণামূলক বিয়ে ঠেকাতে বিবাহ নিবন্ধন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের গুজরাট রাজ্য সরকার।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী গান্ধীনগরে চলমান বিধানসভা অধিবেশনে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, গুজরাটের মেয়েরা যাতে প্রতারণার শিকার না হন তা নিশ্চিত করা এবং সনাতন বিবাহপ্রথা সুরক্ষাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, বিয়ে নিবন্ধনের আবেদনে বর ও কনে উভয়কেই পিতামাতার সম্মতিপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি পিতামাতার পূর্ণ পরিচয়, ফোন নম্বর ও ঠিকানা বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে। আবেদন জমার পর সহকারী রেজিস্ট্রারকে ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের পিতামাতাকে বিষয়টি জানাতে হবে এবং সব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে এক মাসের মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

উপমুখ্যমন্ত্রী সাংঘভি অভিযোগ করেন, বর্তমানে পরিচয় গোপন করে বিয়ে এবং ভুয়া বিবাহ সনদ তৈরির ঘটনা ঘটছে। এমনকি যেসব গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের বসবাস নেই, সেখানেও বিপুল সংখ্যক নিকাহ সনদ ইস্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি জানান, 'গুজরাট ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন আইন ২০০৬'-এর আওতায় এই সংশোধনী আনা হচ্ছে এবং খসড়া প্রণয়নের আগে ৩০ দিন ধরে স্থানীয় জনগণের মতামত নেওয়া হয়েছে। আইনের বিস্তারিত তথ্য একটি নির্দিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ