সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়িত না হলে দেশের মানুষ বর্তমান সরকারকে মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো শাসকগোষ্ঠী অতীতেও টিকে থাকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী সকল সংগ্রামই ছিল শাসকগোষ্ঠীর জুলুমের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। দেশে নতুন করে রক্তপাত এড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের রায় বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ‘বিকৃত ইতিহাস’ সংশোধন করে প্রকৃত সত্য তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার দাবি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণতন্ত্র সুসংহত করতে হলে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। জুলাই চেতনা বিনষ্টের চেষ্টা করা হলে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। তিনি আরও বলেন, একুশের চেতনা মানে দুর্নীতি বা চাঁদাবাজি নয়, বরং স্বৈরতন্ত্রের অবসান।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় একুশের চেতনার অনুপস্থিতি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও এখন অনেকে সব অর্জন নিজেদের দাবি করছে। জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পরও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করায় তিনি বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করেন এবং তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরী পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের জোর দাবি জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়িত না হলে দেশের মানুষ বর্তমান সরকারকে মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো শাসকগোষ্ঠী অতীতেও টিকে থাকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী সকল সংগ্রামই ছিল শাসকগোষ্ঠীর জুলুমের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। দেশে নতুন করে রক্তপাত এড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের রায় বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ‘বিকৃত ইতিহাস’ সংশোধন করে প্রকৃত সত্য তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার দাবি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণতন্ত্র সুসংহত করতে হলে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। জুলাই চেতনা বিনষ্টের চেষ্টা করা হলে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। তিনি আরও বলেন, একুশের চেতনা মানে দুর্নীতি বা চাঁদাবাজি নয়, বরং স্বৈরতন্ত্রের অবসান।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় একুশের চেতনার অনুপস্থিতি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও এখন অনেকে সব অর্জন নিজেদের দাবি করছে। জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পরও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করায় তিনি বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করেন এবং তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরী পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন