অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে আলেম প্রতিনিধি হিসেবে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত তাকে মনোনীত করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সময় ছাত্রদের পক্ষ থেকে আলেম প্রতিনিধি হিসেবে নাম চাওয়া হলে জামায়াত মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম সুপারিশ করেছিল।
সাক্ষাৎকারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সময় ছাত্ররা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছিল। তারা যখন একজন আলেমের নাম চাইল, তখন আমাদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে আমরা বাবুনগরী সাহেবের নাম দিই। যদিও তিনি আগে আমাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন, তবুও দেশের প্রবীণতম আলেম এবং বৃহত্তর ঐক্য ও সম্মানের জায়গা থেকে আমরা তাকেই যোগ্য মনে করেছিলাম।”
তিনি আরও জানান, নাম প্রস্তাবের পর সংশ্লিষ্টরা যাচাই-বাছাই করে দেখেন যে আল্লামা বাবুনগরীর বয়স ৯০ বছরের বেশি। বর্তমান শারীরিক অবস্থায় রাষ্ট্রীয় কাজের চাপ নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবে না জেনে ছাত্ররা বিকল্প নাম চাইলে জামায়াত আর কোনো নাম দেয়নি এবং তাদের সিদ্ধান্তের ওপরই বিষয়টি ছেড়ে দেয়।
ইসলামী দলগুলোর মধ্যকার ঐক্য ও সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “বরিশালে আমাদের শক্তিশালী প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও পীর সাহেবের ছোট ভাই মুফতি ফয়জুল করীমের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমরা আমাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছিলাম। কে কী সমালোচনা করল, সে বিতর্কে না জড়িয়ে আমরা সবাইকে সম্মান দিয়ে কাজ করতে চাই।”
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিতর্কে জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা জামায়াতের নেই উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আলেমদের মধ্যকার কোনো মতপার্থক্য নিয়ে পাল্টা জবাব দেওয়া বা কাদা ছোড়াছুড়ি করাকে তারা ইতিবাচক মনে করেন না। দেশের স্থিতিশীলতা ও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সব ইসলামী ও গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করে চলাই তাদের বর্তমান রাজনৈতিক কৌশল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে আলেম প্রতিনিধি হিসেবে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত তাকে মনোনীত করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সময় ছাত্রদের পক্ষ থেকে আলেম প্রতিনিধি হিসেবে নাম চাওয়া হলে জামায়াত মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম সুপারিশ করেছিল।
সাক্ষাৎকারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সময় ছাত্ররা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছিল। তারা যখন একজন আলেমের নাম চাইল, তখন আমাদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে আমরা বাবুনগরী সাহেবের নাম দিই। যদিও তিনি আগে আমাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন, তবুও দেশের প্রবীণতম আলেম এবং বৃহত্তর ঐক্য ও সম্মানের জায়গা থেকে আমরা তাকেই যোগ্য মনে করেছিলাম।”
তিনি আরও জানান, নাম প্রস্তাবের পর সংশ্লিষ্টরা যাচাই-বাছাই করে দেখেন যে আল্লামা বাবুনগরীর বয়স ৯০ বছরের বেশি। বর্তমান শারীরিক অবস্থায় রাষ্ট্রীয় কাজের চাপ নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবে না জেনে ছাত্ররা বিকল্প নাম চাইলে জামায়াত আর কোনো নাম দেয়নি এবং তাদের সিদ্ধান্তের ওপরই বিষয়টি ছেড়ে দেয়।
ইসলামী দলগুলোর মধ্যকার ঐক্য ও সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “বরিশালে আমাদের শক্তিশালী প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও পীর সাহেবের ছোট ভাই মুফতি ফয়জুল করীমের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমরা আমাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছিলাম। কে কী সমালোচনা করল, সে বিতর্কে না জড়িয়ে আমরা সবাইকে সম্মান দিয়ে কাজ করতে চাই।”
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিতর্কে জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা জামায়াতের নেই উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আলেমদের মধ্যকার কোনো মতপার্থক্য নিয়ে পাল্টা জবাব দেওয়া বা কাদা ছোড়াছুড়ি করাকে তারা ইতিবাচক মনে করেন না। দেশের স্থিতিশীলতা ও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সব ইসলামী ও গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করে চলাই তাদের বর্তমান রাজনৈতিক কৌশল।

আপনার মতামত লিখুন