ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের দুটি প্রধান সামরিক ঘাঁটি থেকে শত শত মার্কিন সেনা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমস পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের ঘাঁটি থেকে এই সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সেনারা এখনো অবস্থান করছেন।
বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে একটি আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে তেহরান পাল্টা জবাব হিসেবে ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের প্রধান জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, ইরান আক্রান্ত হলে ওই অঞ্চলে শত্রু বাহিনীর সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো অনিয়ন্ত্রিত পরিণতির সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।
উল্লেখ্য, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে সাধারণত ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করেন এবং এটি এ অঞ্চলে মার্কিন বিমান অভিযানের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের দুটি প্রধান সামরিক ঘাঁটি থেকে শত শত মার্কিন সেনা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমস পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের ঘাঁটি থেকে এই সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সেনারা এখনো অবস্থান করছেন।
বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে একটি আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে তেহরান পাল্টা জবাব হিসেবে ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের প্রধান জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, ইরান আক্রান্ত হলে ওই অঞ্চলে শত্রু বাহিনীর সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো অনিয়ন্ত্রিত পরিণতির সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।
উল্লেখ্য, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে সাধারণত ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করেন এবং এটি এ অঞ্চলে মার্কিন বিমান অভিযানের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন