সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ‘সমঝোতার’ মাধ্যমে চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য চাঁদাবাজির মতো ফৌজদারি অপরাধকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার শামিল।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে জামায়াত নেতা বলেন, একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর মুখ থেকে সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে জায়েজ করার চেষ্টা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনৈতিক। তিনি উল্লেখ করেন, চাঁদাবাজি একটি স্পষ্ট ফৌজদারি অপরাধ যা সমাজ, অর্থনীতি এবং আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। মন্ত্রীর এই অবস্থানের ফলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরও বলেন, সরকারের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা। কিন্তু কোনো অপরাধকে ‘সমঝোতার’ আড়ালে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদানের দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, দেশবাসী দুর্নীতির সামান্যতম ছিটেফোঁটাও বরদাশত করবে না। যদি সরকার চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ‘সমঝোতার’ মাধ্যমে চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য চাঁদাবাজির মতো ফৌজদারি অপরাধকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার শামিল।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে জামায়াত নেতা বলেন, একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর মুখ থেকে সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে জায়েজ করার চেষ্টা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনৈতিক। তিনি উল্লেখ করেন, চাঁদাবাজি একটি স্পষ্ট ফৌজদারি অপরাধ যা সমাজ, অর্থনীতি এবং আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। মন্ত্রীর এই অবস্থানের ফলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরও বলেন, সরকারের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা। কিন্তু কোনো অপরাধকে ‘সমঝোতার’ আড়ালে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদানের দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, দেশবাসী দুর্নীতির সামান্যতম ছিটেফোঁটাও বরদাশত করবে না। যদি সরকার চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

আপনার মতামত লিখুন