ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কাতার-বাহরাইন ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কাতার-বাহরাইন ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কাতার ও বাহরাইনের সামরিক ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times।

মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত—এই আটটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে কাতারের আল উবেইদ ঘাঁটিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের সময় এ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তেহরান।


বাহরাইনে অবস্থিত ঘাঁটিটি ব্যবহার করে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর। তবে এই দুই ঘাঁটি থেকে সেনা সরানো হলেও বাকি ছয়টি ঘাঁটি থেকে এখনো কোনো সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর Pentagonের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের আটটি ঘাঁটিতে বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি। ওই চিঠিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে আগ্রাসী অভিযান শুরু করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ ও অবকাঠামোকে ইরানের সেনাবাহিনী ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে।

আমির সাঈদ ইরাভানির এই সতর্কবার্তার পরই কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় পেন্টাগন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ঘাঁটিগুলোর সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। কেন শুধু কাতার ও বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে সেনা অপসারণ করা হচ্ছে—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কাতার-বাহরাইন ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কাতার ও বাহরাইনের সামরিক ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times।


মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত—এই আটটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে কাতারের আল উবেইদ ঘাঁটিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের সময় এ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তেহরান।


বাহরাইনে অবস্থিত ঘাঁটিটি ব্যবহার করে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর। তবে এই দুই ঘাঁটি থেকে সেনা সরানো হলেও বাকি ছয়টি ঘাঁটি থেকে এখনো কোনো সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর Pentagonের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের আটটি ঘাঁটিতে বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন।


প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি। ওই চিঠিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে আগ্রাসী অভিযান শুরু করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ ও অবকাঠামোকে ইরানের সেনাবাহিনী ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে।


আমির সাঈদ ইরাভানির এই সতর্কবার্তার পরই কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় পেন্টাগন।


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ঘাঁটিগুলোর সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। কেন শুধু কাতার ও বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে সেনা অপসারণ করা হচ্ছে—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ