শিক্ষার মূল ভিত্তি ভাষা ও গণিতে দুর্বলতা থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বমঞ্চে দাঁড় করানো কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারিকুলাম, শ্রেণিকক্ষ ও ধারাবাহিকতা—এই তিন জায়গায় সমন্বয় আনতে পারলে বাংলাদেশ শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে। দেশে মাদ্রাসার পাঁচটি ভিন্ন ধারাসহ ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মিডিয়াম ও কারিগরি শিক্ষার মতো নানা ধারা থাকলেও সব শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান যেন সমমানের হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রকৌশল বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনেক পরিভাষার বাংলা প্রতিশব্দ না থাকলেও পরিভাষা ব্যবহারে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ভাষা ও জ্ঞানের সম্পর্ককে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার প্রায় ১৬ শতাংশে নামিয়ে আনাকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী স্বীকার করেন, বাকি ৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে গেলেও মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছে না। শিক্ষক সংকট, পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নে ঘাটতি এবং ধারাবাহিকতার অভাব এর পেছনে মূল কারণ।
ইংরেজি শিক্ষা ধাপে ধাপে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এক রাতে সব জায়গায় তা কার্যকর করা হবে না। তবে ইংরেজির আগে বাংলা ভাষায় শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।
গণমাধ্যমে ভাষার বিকৃত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, বানান ও ব্যাকরণ চর্চায় অবহেলা বাড়ছে। ভাষাকে আধুনিক করা যায়, কিন্তু বিকৃত করা কখনো উচিত নয়।
শিক্ষা খাতে দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতিতে শূন্য সহনশীলতা থাকবে এবং আগামী পাঁচ বছরে কোথাও দুর্নীতিতে নিজেদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না বলে অঙ্গীকার করেন তিনি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তখন দেশের তরুণ ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে দেশপ্রেমের প্রমাণ দিয়েছেন, এখন সেই ভালোবাসার প্রমাণ কর্মক্ষেত্রেও দিতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিক্ষার মূল ভিত্তি ভাষা ও গণিতে দুর্বলতা থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বমঞ্চে দাঁড় করানো কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারিকুলাম, শ্রেণিকক্ষ ও ধারাবাহিকতা—এই তিন জায়গায় সমন্বয় আনতে পারলে বাংলাদেশ শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে। দেশে মাদ্রাসার পাঁচটি ভিন্ন ধারাসহ ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মিডিয়াম ও কারিগরি শিক্ষার মতো নানা ধারা থাকলেও সব শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান যেন সমমানের হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রকৌশল বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনেক পরিভাষার বাংলা প্রতিশব্দ না থাকলেও পরিভাষা ব্যবহারে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ভাষা ও জ্ঞানের সম্পর্ককে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার প্রায় ১৬ শতাংশে নামিয়ে আনাকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী স্বীকার করেন, বাকি ৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে গেলেও মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছে না। শিক্ষক সংকট, পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নে ঘাটতি এবং ধারাবাহিকতার অভাব এর পেছনে মূল কারণ।
ইংরেজি শিক্ষা ধাপে ধাপে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এক রাতে সব জায়গায় তা কার্যকর করা হবে না। তবে ইংরেজির আগে বাংলা ভাষায় শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।
গণমাধ্যমে ভাষার বিকৃত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, বানান ও ব্যাকরণ চর্চায় অবহেলা বাড়ছে। ভাষাকে আধুনিক করা যায়, কিন্তু বিকৃত করা কখনো উচিত নয়।
শিক্ষা খাতে দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতিতে শূন্য সহনশীলতা থাকবে এবং আগামী পাঁচ বছরে কোথাও দুর্নীতিতে নিজেদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না বলে অঙ্গীকার করেন তিনি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তখন দেশের তরুণ ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে দেশপ্রেমের প্রমাণ দিয়েছেন, এখন সেই ভালোবাসার প্রমাণ কর্মক্ষেত্রেও দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন