ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো এখনো সম্ভব এবং তেহরান সেই লক্ষ্যে কাজ করতে প্রস্তুত। তবে ইরানে সামরিক আগ্রাসন চালানো হলে তা পুরো বিশ্বের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এমএস নাউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কোনো সামরিক সমাধান নেই। একটি কূটনৈতিক সমাধান তাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে এবং সহজেই তা অর্জন করা সম্ভব। তবে যেকোনো চুক্তি অবশ্যই ন্যায্য ও উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক ভিত্তিতে হতে হবে বলেও তিনি জোর দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোকে অপ্রয়োজনীয় আখ্যা দিয়ে আরাগচি বলেন, সামরিক বিকল্প পরিস্থিতিকে কেবল জটিলই করবে এবং এর বিপর্যয়কর পরিণতি ভোগ করতে হবে শুধু ইরানকে নয়, পুরো অঞ্চল ও সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে।
এদিকে আরাগচির সাক্ষাৎকার প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরানে হামলার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে তেহরানের বিরোধ চলছে। এই প্রেক্ষাপটে আরাগচির কূটনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো এখনো সম্ভব এবং তেহরান সেই লক্ষ্যে কাজ করতে প্রস্তুত। তবে ইরানে সামরিক আগ্রাসন চালানো হলে তা পুরো বিশ্বের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এমএস নাউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কোনো সামরিক সমাধান নেই। একটি কূটনৈতিক সমাধান তাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে এবং সহজেই তা অর্জন করা সম্ভব। তবে যেকোনো চুক্তি অবশ্যই ন্যায্য ও উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক ভিত্তিতে হতে হবে বলেও তিনি জোর দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোকে অপ্রয়োজনীয় আখ্যা দিয়ে আরাগচি বলেন, সামরিক বিকল্প পরিস্থিতিকে কেবল জটিলই করবে এবং এর বিপর্যয়কর পরিণতি ভোগ করতে হবে শুধু ইরানকে নয়, পুরো অঞ্চল ও সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে।
এদিকে আরাগচির সাক্ষাৎকার প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরানে হামলার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে তেহরানের বিরোধ চলছে। এই প্রেক্ষাপটে আরাগচির কূটনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।

আপনার মতামত লিখুন