পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি নৌযানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। ওয়াশিংটন দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট নৌযানটি মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা ‘ইউএস সাউথ কমান্ড’ (সাউথকম) এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। মার্কিন বাহিনী এই অপারেশনকে একটি ‘মারাত্মক গতিশীল হামলা’ (Lethal Dynamic Engagement) হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে নৌযানটিতে মাদক ছিল কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নথি জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবারের এই প্রাণঘাতী হামলার ফলে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ১৪৮ জনে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ওই অঞ্চলে প্রায় ৪৩টি এ ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের নেতা, আইন বিশেষজ্ঞ এবং মানবাধিকার কর্মীরা এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে মাঝ সমুদ্রে এভাবে প্রাণঘাতী হামলা চালানো আন্তর্জাতিক নৌ-নীতির পরিপন্থী। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি নৌযানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। ওয়াশিংটন দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট নৌযানটি মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা ‘ইউএস সাউথ কমান্ড’ (সাউথকম) এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। মার্কিন বাহিনী এই অপারেশনকে একটি ‘মারাত্মক গতিশীল হামলা’ (Lethal Dynamic Engagement) হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে নৌযানটিতে মাদক ছিল কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নথি জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবারের এই প্রাণঘাতী হামলার ফলে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ১৪৮ জনে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ওই অঞ্চলে প্রায় ৪৩টি এ ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের নেতা, আইন বিশেষজ্ঞ এবং মানবাধিকার কর্মীরা এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে মাঝ সমুদ্রে এভাবে প্রাণঘাতী হামলা চালানো আন্তর্জাতিক নৌ-নীতির পরিপন্থী। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন