লক্ষ্মীপুর জেলার দীর্ঘদিনের অভিশাপ জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বড়ো প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি জানান, বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে আসেন মন্ত্রী। সকালে সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।
মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী বলেন, লক্ষ্মীপুরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য ইতিমধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে একটি নতুন প্রকল্প—ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখনন। আমরা যদি এই প্রকল্পটি হাতে নিতে পারি, তবে লক্ষ্মীপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্টের জায়গা থেকে আমরা মুক্ত হতে সক্ষম হবো। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প আমরা গ্রহণ করার ইচ্ছে রয়েছে, আমরা সেই দিকেই নজর দিচ্ছি।
তিনি আরও জানান, মেঘনা নদী ও রহমতখালী খাল পাড়ে যে ভাঙন রয়েছে, তা ফিজিবিলিটি স্টাডির মাধ্যমে সমাধান করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি দেশব্যাপী ১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, খুব শিগগিরই এই কর্মসূচি শুরু হবে এবং এর মধ্যে লক্ষ্মীপুরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুর জেলার দীর্ঘদিনের অভিশাপ জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বড়ো প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি জানান, বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে আসেন মন্ত্রী। সকালে সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।
মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী বলেন, লক্ষ্মীপুরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য ইতিমধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে একটি নতুন প্রকল্প—ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখনন। আমরা যদি এই প্রকল্পটি হাতে নিতে পারি, তবে লক্ষ্মীপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্টের জায়গা থেকে আমরা মুক্ত হতে সক্ষম হবো। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প আমরা গ্রহণ করার ইচ্ছে রয়েছে, আমরা সেই দিকেই নজর দিচ্ছি।
তিনি আরও জানান, মেঘনা নদী ও রহমতখালী খাল পাড়ে যে ভাঙন রয়েছে, তা ফিজিবিলিটি স্টাডির মাধ্যমে সমাধান করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি দেশব্যাপী ১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, খুব শিগগিরই এই কর্মসূচি শুরু হবে এবং এর মধ্যে লক্ষ্মীপুরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন