দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপ্স’ এর দ্বিতীয় ঝলক প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে সিনেমাটি।
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ঝলকে অতিমাত্রায় সহিংসতা, রক্তারক্তি এবং নারীর অধস্তন উপস্থাপনা নিয়ে চলচ্চিত্র প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ছবির বিষয়বস্তুতে ‘টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি’ বা উগ্র পৌরুষের জয়গান গাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন নেটিজেনদের একটি বড় অংশ।
প্রকাশিত ঝলকটিতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা যশ কখনও বীভৎস হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠছেন, আবার কখনও ধূমপান বা শয্যাসঙ্গিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে লিপ্ত হচ্ছেন। বিড়ম্বনার বিষয় হলো, পুরো ভিডিওতে যশের মুখে অন্যদের ‘সুষ্ঠু আচরণের’ পরামর্শ শোনা গেলেও সেখানে নারীদের উপস্থিতি কেবল শয্যাসঙ্গিনী হিসেবেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সিনেমাটিতে নয়নতারা, কিয়ারা আডবাণী এবং তারা সুতারিয়ার মতো প্রথম সারির একঝাঁক অভিনেত্রী থাকলেও ঝলকের কোথাও তাদের উপস্থিতি দেখা যায়নি। এই বিষয়টি দর্শকদের ক্ষুব্ধ করেছে। সমালোচকদের মতে, বড় মাপের অভিনেত্রীদের বাদ দিয়ে কেবল শরীরী উপস্থিতিতে নারী চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা সিনেমার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সবচেয়ে বেশি সমালোচনার শিকার হচ্ছেন ছবির নারী পরিচালক গীতু মোহনদাস। একজন নারী নির্মাতা হয়েও তিনি কীভাবে পর্দায় উগ্র পৌরুষের মহিমা কীর্তন এবং নারীকে গৌণ হিসেবে উপস্থাপন করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ হওয়ার পর নায়কের লড়াইয়ে নামা যেন তাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে—এমন দৃশ্য নির্মাণ নারীর মর্যাদাকে কেবল শয্যাতেই সীমাবদ্ধ করে রাখে।’
প্রথম ঝলক প্রকাশের পর থেকেই ‘টক্সিক’ নিয়ে আলোচনা চললেও দ্বিতীয় ঝলকটি যেন সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে। যশের মতো একজন প্রভাবশালী তারকার সিনেমায় লিঙ্গ বৈষম্য ও উগ্রতার এমন সংমিশ্রণ আগামী দিনে বক্স অফিসে কেমন প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপ্স’ এর দ্বিতীয় ঝলক প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে সিনেমাটি।
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ঝলকে অতিমাত্রায় সহিংসতা, রক্তারক্তি এবং নারীর অধস্তন উপস্থাপনা নিয়ে চলচ্চিত্র প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ছবির বিষয়বস্তুতে ‘টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি’ বা উগ্র পৌরুষের জয়গান গাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন নেটিজেনদের একটি বড় অংশ।
প্রকাশিত ঝলকটিতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা যশ কখনও বীভৎস হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠছেন, আবার কখনও ধূমপান বা শয্যাসঙ্গিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে লিপ্ত হচ্ছেন। বিড়ম্বনার বিষয় হলো, পুরো ভিডিওতে যশের মুখে অন্যদের ‘সুষ্ঠু আচরণের’ পরামর্শ শোনা গেলেও সেখানে নারীদের উপস্থিতি কেবল শয্যাসঙ্গিনী হিসেবেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সিনেমাটিতে নয়নতারা, কিয়ারা আডবাণী এবং তারা সুতারিয়ার মতো প্রথম সারির একঝাঁক অভিনেত্রী থাকলেও ঝলকের কোথাও তাদের উপস্থিতি দেখা যায়নি। এই বিষয়টি দর্শকদের ক্ষুব্ধ করেছে। সমালোচকদের মতে, বড় মাপের অভিনেত্রীদের বাদ দিয়ে কেবল শরীরী উপস্থিতিতে নারী চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা সিনেমার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সবচেয়ে বেশি সমালোচনার শিকার হচ্ছেন ছবির নারী পরিচালক গীতু মোহনদাস। একজন নারী নির্মাতা হয়েও তিনি কীভাবে পর্দায় উগ্র পৌরুষের মহিমা কীর্তন এবং নারীকে গৌণ হিসেবে উপস্থাপন করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ হওয়ার পর নায়কের লড়াইয়ে নামা যেন তাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে—এমন দৃশ্য নির্মাণ নারীর মর্যাদাকে কেবল শয্যাতেই সীমাবদ্ধ করে রাখে।’
প্রথম ঝলক প্রকাশের পর থেকেই ‘টক্সিক’ নিয়ে আলোচনা চললেও দ্বিতীয় ঝলকটি যেন সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে। যশের মতো একজন প্রভাবশালী তারকার সিনেমায় লিঙ্গ বৈষম্য ও উগ্রতার এমন সংমিশ্রণ আগামী দিনে বক্স অফিসে কেমন প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন