একাদশ জাতীয় সংসদে শক্তিশালী ও সৃজনশীল বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য বিশেষ ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’ বা প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার রাজধানীর মগবাজারে শুরু হওয়া এই দুই দিনব্যাপী কর্মশালাটি বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ হয়। মূলত প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি এবং বিল ও বাজেট প্রণয়ন সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণের মূল বিষয়বস্তু ও লক্ষ্য দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের এবারের সংসদ সদস্যদের প্রায় ৮০ শতাংশই নতুন মুখ। এই বিশাল অংশের সংসদীয় অভিজ্ঞতা না থাকায় পাঁচটি পৃথক সেশনের মাধ্যমে তাঁদের প্রোটোকল, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম এবং বিল পাসের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের কৌশল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন হলে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের মধ্যে সমন্বয় কেমন হবে, সে বিষয়েও অভিজ্ঞ সাবেক আমলা ও বিশেষজ্ঞরা দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ কর্মশালাটি সফল করতে সংসদ সচিবালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, সাবেক আমলা, নির্বাচন কমিশনের সাবেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তাঁরা তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি হাতে-কলমে সংসদীয় কলাকৌশল এবং আইনি জটিলতা নিরসনে কাজ করেছেন। প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, বাজেট অধিবেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সংসদ সদস্যদের দক্ষতা বাড়াতে প্রতি বছরই এমন আয়োজন করা হবে।
নির্বাচিতদের প্রতিক্রিয়া কর্মশালায় অংশ নিয়ে ঢাকা-১২ আসনের সাইফুল আলম খান মিলন এবং পাবনা-১ আসনের নাজিবুর রহমান মোমেন এই প্রশিক্ষণকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা জানান, জনগণের স্বার্থে সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখতে এই প্রশিক্ষণ তাঁদের স্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা-১৪ আসনের মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান মনে করেন, তথ্যনির্ভর ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সংসদে শক্তিশালী অবস্থান তৈরিতে এই কর্মশালা তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
জামায়াতের এই বিশেষ প্রস্তুতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আসন্ন অধিবেশনে দলটি কেবল সংখ্যায় নয়, বরং মেধা ও সংসদীয় নিয়ম-কানুন মেনে একটি সুসংগঠিত বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে চাইছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
একাদশ জাতীয় সংসদে শক্তিশালী ও সৃজনশীল বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য বিশেষ ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’ বা প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার রাজধানীর মগবাজারে শুরু হওয়া এই দুই দিনব্যাপী কর্মশালাটি বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ হয়। মূলত প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি এবং বিল ও বাজেট প্রণয়ন সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণের মূল বিষয়বস্তু ও লক্ষ্য দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের এবারের সংসদ সদস্যদের প্রায় ৮০ শতাংশই নতুন মুখ। এই বিশাল অংশের সংসদীয় অভিজ্ঞতা না থাকায় পাঁচটি পৃথক সেশনের মাধ্যমে তাঁদের প্রোটোকল, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম এবং বিল পাসের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের কৌশল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন হলে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের মধ্যে সমন্বয় কেমন হবে, সে বিষয়েও অভিজ্ঞ সাবেক আমলা ও বিশেষজ্ঞরা দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ কর্মশালাটি সফল করতে সংসদ সচিবালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, সাবেক আমলা, নির্বাচন কমিশনের সাবেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তাঁরা তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি হাতে-কলমে সংসদীয় কলাকৌশল এবং আইনি জটিলতা নিরসনে কাজ করেছেন। প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, বাজেট অধিবেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সংসদ সদস্যদের দক্ষতা বাড়াতে প্রতি বছরই এমন আয়োজন করা হবে।
নির্বাচিতদের প্রতিক্রিয়া কর্মশালায় অংশ নিয়ে ঢাকা-১২ আসনের সাইফুল আলম খান মিলন এবং পাবনা-১ আসনের নাজিবুর রহমান মোমেন এই প্রশিক্ষণকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা জানান, জনগণের স্বার্থে সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখতে এই প্রশিক্ষণ তাঁদের স্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা-১৪ আসনের মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান মনে করেন, তথ্যনির্ভর ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সংসদে শক্তিশালী অবস্থান তৈরিতে এই কর্মশালা তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
জামায়াতের এই বিশেষ প্রস্তুতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আসন্ন অধিবেশনে দলটি কেবল সংখ্যায় নয়, বরং মেধা ও সংসদীয় নিয়ম-কানুন মেনে একটি সুসংগঠিত বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে চাইছে।

আপনার মতামত লিখুন