ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

২০২৬ সালে বিশ্বের দীর্ঘতম ও ক্ষুদ্রতম রোজার সময়কাল: ভৌগোলিক বৈচিত্র্য


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

২০২৬ সালে বিশ্বের দীর্ঘতম ও ক্ষুদ্রতম রোজার সময়কাল: ভৌগোলিক বৈচিত্র্য

২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাস এমন এক সময়ে শুরু হয়েছে যখন উত্তর গোলার্ধে শীত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করছে। প্রতি বছর ইসলামিক ক্যালেন্ডার প্রায় ১১ দিন করে এগিয়ে আসায় রোজার সময়ের এই পরিবর্তন ঘটে। এ বছর পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর মধ্যে রোজার দৈর্ঘ্যে বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে দিন বড় হওয়ায় সেখানে রোজার সময় তুলনামূলক দীর্ঘ, অন্যদিকে উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট হওয়ায় রোজার সময় বেশ কম।

এ বছর সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে। চিলির পুয়ের্তো উইলিয়ামস শহরের মুসলিমদের রমজানের শুরুতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা রোজা পালন করতে হচ্ছে। একইভাবে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্স এবং নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে রোজার সময়কাল প্রায় ১৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের মতো। তবে মাসের শেষে দিন ছোট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব অঞ্চলে রোজার সময়ও কিছুটা কমে আসবে। বিপরীতে, উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে বিশেষ করে নরওয়ের লংইয়ারবিয়েন শহরে রোজার সময় সবচেয়ে কম। সেখানে রমজানের শুরুতে রোজার দৈর্ঘ্য মাত্র আড়াই ঘণ্টার কিছু বেশি। গ্রিনল্যান্ডের নুক শহরেও শুরুতে রোজার সময় প্রায় ৯ ঘণ্টা হলেও মাসের শেষে তা বেড়ে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাবে।

পবিত্র নগরী মক্কাসহ আরব বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে এবারের রোজার সময়কাল বেশ সহনীয় এবং মধ্যম মানের। মক্কায় এবার সাড়ে ১১ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মতো রোজা রাখতে হবে। সামগ্রিকভাবে উত্তর গোলার্ধে ২০৩১ সাল পর্যন্ত রোজার সময় প্রতি বছর কমতে থাকবে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাড়তে থাকবে। যারা উত্তর মেরুর অত্যন্ত কাছাকাছি বসবাস করেন, যেখানে দিন বা রাতের দৈর্ঘ্য অস্বাভাবিক বেশি, তারা অনেক সময় মক্কার সময় অনুসরণ করে রোজা পালন করেন। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের রমজান ভৌগোলিকভাবে একটি বৈচিত্র্যময় কিন্তু অপেক্ষাকৃত স্বস্তিদায়ক রোজার মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


২০২৬ সালে বিশ্বের দীর্ঘতম ও ক্ষুদ্রতম রোজার সময়কাল: ভৌগোলিক বৈচিত্র্য

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাস এমন এক সময়ে শুরু হয়েছে যখন উত্তর গোলার্ধে শীত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করছে। প্রতি বছর ইসলামিক ক্যালেন্ডার প্রায় ১১ দিন করে এগিয়ে আসায় রোজার সময়ের এই পরিবর্তন ঘটে। এ বছর পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর মধ্যে রোজার দৈর্ঘ্যে বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে দিন বড় হওয়ায় সেখানে রোজার সময় তুলনামূলক দীর্ঘ, অন্যদিকে উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট হওয়ায় রোজার সময় বেশ কম।

এ বছর সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে। চিলির পুয়ের্তো উইলিয়ামস শহরের মুসলিমদের রমজানের শুরুতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা রোজা পালন করতে হচ্ছে। একইভাবে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্স এবং নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে রোজার সময়কাল প্রায় ১৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের মতো। তবে মাসের শেষে দিন ছোট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব অঞ্চলে রোজার সময়ও কিছুটা কমে আসবে। বিপরীতে, উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে বিশেষ করে নরওয়ের লংইয়ারবিয়েন শহরে রোজার সময় সবচেয়ে কম। সেখানে রমজানের শুরুতে রোজার দৈর্ঘ্য মাত্র আড়াই ঘণ্টার কিছু বেশি। গ্রিনল্যান্ডের নুক শহরেও শুরুতে রোজার সময় প্রায় ৯ ঘণ্টা হলেও মাসের শেষে তা বেড়ে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাবে।

পবিত্র নগরী মক্কাসহ আরব বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে এবারের রোজার সময়কাল বেশ সহনীয় এবং মধ্যম মানের। মক্কায় এবার সাড়ে ১১ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মতো রোজা রাখতে হবে। সামগ্রিকভাবে উত্তর গোলার্ধে ২০৩১ সাল পর্যন্ত রোজার সময় প্রতি বছর কমতে থাকবে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাড়তে থাকবে। যারা উত্তর মেরুর অত্যন্ত কাছাকাছি বসবাস করেন, যেখানে দিন বা রাতের দৈর্ঘ্য অস্বাভাবিক বেশি, তারা অনেক সময় মক্কার সময় অনুসরণ করে রোজা পালন করেন। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের রমজান ভৌগোলিকভাবে একটি বৈচিত্র্যময় কিন্তু অপেক্ষাকৃত স্বস্তিদায়ক রোজার মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ