চীনে চান্দ্র নববর্ষের আনন্দ মুহূর্তেই শোকে পরিণত হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের জিনপু গ্রামে একটি আতশবাজির দোকানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৫ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। উদ্ধার অভিযান শেষে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি ১১ জনই ছিলেন ক্রেতা। ধারণা করা হচ্ছে, নিহত অন্য ব্যক্তিটি দোকানের মালিক। নিহতদের মধ্যে তিনজন এসেছিলেন অনেক দূরের শহর চেংডু থেকে, যারা মূলত নববর্ষ উপলক্ষে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে গ্রামে এসেছিলেন।
চীনের চান্দ্র নববর্ষ বা ‘লুনার নিউ ইয়ার’ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। যদিও নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং দূষণের কারণে বেইজিং ও সাংহাইয়ের মতো বড় শহরগুলোতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু গ্রামীণ এলাকায় এটি এখনো সমান জনপ্রিয়। আর এই জনপ্রিয়তাই মাঝেমধ্যে প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র কয়েক দিন আগে গত রোববারও জিয়াংসু প্রদেশে একই ধরনের দুর্ঘটনায় আটজনের মৃত্যু হয়েছিল।
পুলিশ ইতিমধ্যেই জিনপু গ্রামের এই বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে। উৎসবের মৌসুমে এমন বিয়োগান্তক ঘটনা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চীনে চান্দ্র নববর্ষের আনন্দ মুহূর্তেই শোকে পরিণত হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের জিনপু গ্রামে একটি আতশবাজির দোকানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৫ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। উদ্ধার অভিযান শেষে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি ১১ জনই ছিলেন ক্রেতা। ধারণা করা হচ্ছে, নিহত অন্য ব্যক্তিটি দোকানের মালিক। নিহতদের মধ্যে তিনজন এসেছিলেন অনেক দূরের শহর চেংডু থেকে, যারা মূলত নববর্ষ উপলক্ষে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে গ্রামে এসেছিলেন।
চীনের চান্দ্র নববর্ষ বা ‘লুনার নিউ ইয়ার’ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। যদিও নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং দূষণের কারণে বেইজিং ও সাংহাইয়ের মতো বড় শহরগুলোতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু গ্রামীণ এলাকায় এটি এখনো সমান জনপ্রিয়। আর এই জনপ্রিয়তাই মাঝেমধ্যে প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র কয়েক দিন আগে গত রোববারও জিয়াংসু প্রদেশে একই ধরনের দুর্ঘটনায় আটজনের মৃত্যু হয়েছিল।
পুলিশ ইতিমধ্যেই জিনপু গ্রামের এই বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে। উৎসবের মৌসুমে এমন বিয়োগান্তক ঘটনা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

আপনার মতামত লিখুন