গাজা পুনর্গঠন ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘শান্তি পর্ষদে’ (Board of Peace) ১ বিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কাতার। ওয়াশিংটনের ‘ইউনাইটেড স্টেটস ইন্সটিটিউট অব পিস’-এ আয়োজিত পরিষদের প্রথম বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুররহমান বিন জাসিম আল থানি এই বিশাল আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, কাতার শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে তার দীর্ঘদিনের অঙ্গীকার বজায় রেখে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ তার ভাষণে উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত এই পরিষদ ২০ দফা পরিকল্পনা দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নে কাজ করবে। কাতারের এই ১ বিলিয়ন ডলার মূলত গাজার পুনর্গঠন এবং শান্তি পর্ষদের লক্ষ্যসমূহ সফল করতে ব্যয় করা হবে, যাতে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি—উভয় পক্ষের জন্য ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১০ জানুয়ারি গাজা যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ হিসেবে ট্রাম্প এই পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর রেজুলেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আইনি বৈধতা পায়।
শান্তি পরিষদের মূল দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় তদারকি করা, আন্তর্জাতিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কাজের সমন্বয় ঘটানো এবং রূপান্তরকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এছাড়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনে সহায়তা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াও এই পর্ষদের অন্যতম লক্ষ্য। কাতারের এই বড় অংকের অনুদান অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকেও গাজা পুনর্গঠনে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজা পুনর্গঠন ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘শান্তি পর্ষদে’ (Board of Peace) ১ বিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কাতার। ওয়াশিংটনের ‘ইউনাইটেড স্টেটস ইন্সটিটিউট অব পিস’-এ আয়োজিত পরিষদের প্রথম বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুররহমান বিন জাসিম আল থানি এই বিশাল আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, কাতার শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে তার দীর্ঘদিনের অঙ্গীকার বজায় রেখে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ তার ভাষণে উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত এই পরিষদ ২০ দফা পরিকল্পনা দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নে কাজ করবে। কাতারের এই ১ বিলিয়ন ডলার মূলত গাজার পুনর্গঠন এবং শান্তি পর্ষদের লক্ষ্যসমূহ সফল করতে ব্যয় করা হবে, যাতে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি—উভয় পক্ষের জন্য ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১০ জানুয়ারি গাজা যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ হিসেবে ট্রাম্প এই পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর রেজুলেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আইনি বৈধতা পায়।
শান্তি পরিষদের মূল দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় তদারকি করা, আন্তর্জাতিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কাজের সমন্বয় ঘটানো এবং রূপান্তরকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এছাড়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনে সহায়তা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াও এই পর্ষদের অন্যতম লক্ষ্য। কাতারের এই বড় অংকের অনুদান অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকেও গাজা পুনর্গঠনে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন