ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গাজা পুনর্গঠনে ৯ দেশের ৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ও ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গাজা পুনর্গঠনে ৯ দেশের ৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ও ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা

ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি বোর্ডের প্রথম বৈঠকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনে এক বিশাল আর্থিক ও সামরিক সহায়তার রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বৈঠকে ৯টি সদস্য দেশ গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য প্রাথমিক কিস্তি হিসেবে ৭ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশগুলো হলো—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, মরক্কো, বাহরাইন, কাজাখস্তান, আজারবাইজান এবং উজবেকিস্তান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই উদ্যোগকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেও এই শান্তি বোর্ডে ১০ বিলিয়ন ডলার প্রদান করবে।

গাজা পুনর্নির্মাণের জন্য সামগ্রিকভাবে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন বলে ধারণা করা হলেও এই প্রাথমিক তহবিলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি গাজায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের বিষয়েও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া এই আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া নবগঠিত এই বাহিনীর পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে মিশর ও জর্ডান। এই পুরো প্রক্রিয়াটি মূলত গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ঘোষিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সভায় জোর দিয়ে বলেন যে, সংগৃহীত প্রতিটি ডলার গাজার উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যয় করা হবে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি উন্নত ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে এই বিশাল পুনর্গঠন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বাকি তহবিলের জোগান কীভাবে আসবে এবং আন্তর্জাতিক এই বাহিনী গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কতটুকু নিশ্চিত করতে পারবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


গাজা পুনর্গঠনে ৯ দেশের ৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ও ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি বোর্ডের প্রথম বৈঠকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনে এক বিশাল আর্থিক ও সামরিক সহায়তার রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বৈঠকে ৯টি সদস্য দেশ গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য প্রাথমিক কিস্তি হিসেবে ৭ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশগুলো হলো—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, মরক্কো, বাহরাইন, কাজাখস্তান, আজারবাইজান এবং উজবেকিস্তান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই উদ্যোগকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেও এই শান্তি বোর্ডে ১০ বিলিয়ন ডলার প্রদান করবে।

গাজা পুনর্নির্মাণের জন্য সামগ্রিকভাবে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন বলে ধারণা করা হলেও এই প্রাথমিক তহবিলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি গাজায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের বিষয়েও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া এই আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া নবগঠিত এই বাহিনীর পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে মিশর ও জর্ডান। এই পুরো প্রক্রিয়াটি মূলত গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ঘোষিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সভায় জোর দিয়ে বলেন যে, সংগৃহীত প্রতিটি ডলার গাজার উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যয় করা হবে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি উন্নত ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে এই বিশাল পুনর্গঠন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বাকি তহবিলের জোগান কীভাবে আসবে এবং আন্তর্জাতিক এই বাহিনী গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কতটুকু নিশ্চিত করতে পারবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ