ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ শুরু করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দ্বিতীয় দিনেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ এবং নদী-খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দ্রুত পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সরকার তাদের প্রতিশ্রুতির প্রতি আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়েছে।
ইশতেহারের অন্যতম বড় আকর্ষণ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আটটি বিভাগের একটি করে উপজেলায় এই কার্ডের পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা এই কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা অথবা সমমূল্যের খাদ্য সুবিধা দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এনআইডি এবং ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডাটাবেজের সমন্বয়ে একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই এই কার্ড বিতরণ শুরু করতে চায় সরকার।
একই দিনে অনুষ্ঠিত অন্য একটি সভায় ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ এবং ‘নদী-খাল-জলাধার খনন’ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, প্রতি বছর ৫ কোটি করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে মে মাসের মধ্যেই। চর এলাকা, নদীর বাঁধ, রাস্তার ধার এবং সুন্দরবনসহ লবণাক্ত এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই বৃক্ষরোপণ করা হবে। পাশাপাশি জলাশয় ও নদী খননের মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সরকারের এই কর্মচাঞ্চল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম এবং ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান মনে করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এসব বাস্তবমুখী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পরিকল্পনা কেবল কথার ফুলঝুরি নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের একটি সুদূরপ্রসারী রোডম্যাপ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামও দ্রুততম সময়ে জনপ্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ শুরু করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দ্বিতীয় দিনেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ এবং নদী-খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দ্রুত পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সরকার তাদের প্রতিশ্রুতির প্রতি আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়েছে।
ইশতেহারের অন্যতম বড় আকর্ষণ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আটটি বিভাগের একটি করে উপজেলায় এই কার্ডের পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা এই কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা অথবা সমমূল্যের খাদ্য সুবিধা দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এনআইডি এবং ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডাটাবেজের সমন্বয়ে একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই এই কার্ড বিতরণ শুরু করতে চায় সরকার।
একই দিনে অনুষ্ঠিত অন্য একটি সভায় ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ এবং ‘নদী-খাল-জলাধার খনন’ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, প্রতি বছর ৫ কোটি করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে মে মাসের মধ্যেই। চর এলাকা, নদীর বাঁধ, রাস্তার ধার এবং সুন্দরবনসহ লবণাক্ত এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই বৃক্ষরোপণ করা হবে। পাশাপাশি জলাশয় ও নদী খননের মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সরকারের এই কর্মচাঞ্চল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম এবং ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান মনে করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এসব বাস্তবমুখী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পরিকল্পনা কেবল কথার ফুলঝুরি নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের একটি সুদূরপ্রসারী রোডম্যাপ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামও দ্রুততম সময়ে জনপ্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন